প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/১১৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ন্যাসালেণ্ড Σ. Σ ο এবং বন্দরের কাছেই একটি দুৰ্গ তৈরী করে। আরবগণ দুৰ্গকে কোতা বলে। আৱবগণ দুৰ্গ তৈরী করতে বেশি পরিশ্রম করেনি কারণ নিকটস্থ ধ্বংস স্তুপ হতে তারা বিস্তর পাথর সংগ্ৰহ করতে अनृषभः शथ्रुष्ट्झ् ि। জাহাজখানা বন্দরে ভিড়ামাত্র অনেকগুলি যাত্রী নামতে লাগল। আমার পরিচিত, ছেলে দুটিও নামবার পূর্বে আমার সংগে দেখা করল। বড় ছেলেটিকে মন দিয়ে লেখাপড়া করে একটু বিদ্যাবুদ্ধি অর্জন করতে বল্লাম এবং আরও বল্লাম; বিদ্যাবুদ্ধি অর্জন করার পর সে যেন নিগ্রো জাতের উন্নতির চেষ্টা করে । আমার কথা শুনে ছেলে দুটি বিনীতভাবে সিডি দিয়ে অনেমে গে’ল। , তাদের বিদায় দিয়ে আমি জাহাজের উপরের ডেকে উঠে নিকটস্থ দৃশ্যাবলী দেখতে লাগলাম। আমার সামনে সদ্য স্নাত বৃক্ষরাজি অরুণ সুর্যের আলোয় ঝলমল করছিল । সুন্দর ভূমি হঠাৎ গা ঝাড় দিয়ে উঠে ঢেউ খেলে পর্বতের গায়ে মিশছিল। পাহাড়ের গায়ে সুন্দর নিগ্রো গ্ৰাম । গ্ৰাম দেখার জন্য বড়ই ইচ্ছা হল। চটপট করে জাহাজ থেকে নেমে গ্রামের দিকে অগ্রসর হলাম। গ্রামের দিকে যে পথ গিয়েছে তা সোজা এবং চিকুণ । গ্রামের গড়ন সভ্য ধরণেই হয়েছে। গ্রামের কাছেই দুটি ভারতীয়দের দোকানের সামনে যে পথটি তা বেঁকা হয়ে এসে আবার বেঁকির সরল পথে গিয়ে মিশেছে। ভূক্তৃতীয় প্ৰকৃতিই যেন অসয়ল তাই তাদের বাড়ির সামনের পথটাও বেঁকা ৮ গ্রামে গিয়ে দেখলাম দুদিকে সারি দিয়ে ঘর। প্রত্যেকু খানা ঘৱই যেন পথকে সম্মান দেখাবার জন্য পথেয় দিকে "মাথা পাঠ করে, অাছে ; পথ পরিস্কার । গ্রামের যত ময়লা, ঘরোয়