প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/১২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


... ' টাংগার পথে এবং ঠাণ্ডা। শীতল জলে স্নান করে নেবার পয় তারু একটা প্ৰকাণ্ড হাড়িতে ভাত বসাল।” ভাত হয়ে গেলে মুণ এবং সামান্য তরকারীর * সংযোগে খাওয়া হল। খাবার পর, একটু বিশ্রাম করেই আমি নিকটস্থ জংগল দেখতে বেরিয়ে পড়লাম। জংগল মারাত্মক ছিল। না। এরূপ জংগল আমাদের দেশেও অনেক আছে। সন্ধ্যার পূর্বে তারু আমাকেও জানিয়ে দিল, এই নদীটাই হ’ল কেনিয়ার সীমান্ত। একটু রাত থাকতে এখান থেকে উঠে জংলী পথ ধরে যেতে হবে নতুবা পথের পাশের কাষ্টম অফিসার তাদের ধরবে এবং হয়ত ট্যাক্সও আদায় করতে পারে। এরূপ ঝনঝাট এড়াবার জন্যই জংলী পথ ধরতে হবে। আমি তাকে সম্মতি জানিয়ে মশারীর ভেতর গিয়ে শুয়ে পড়লাম । রাত বোধ হয় দশটা হবে । হঠাৎ আকাশ মেঘে ভাতি হয়ে গেল। একটু একটু বাতাসও বইতে আরম্ভ করল। তারু উঠে বসিল এবং মশারীটা উঠিয়ে বেঁধে ফেলল। আমাদের সকল জিনিস যখন বাধা হয়ে গেল তখন প্ৰবল বেগে বৃষ্টি আরম্ভ হ’ল। আমরা নদীতীরে মশাৱী খাটাই নি, নদীর মধ্যেই মশারী খাটিয়ে ছিলাম। দেখতে দেখতে নদীতে জল বইতে আরম্ভ কৱল ৷ জল, গভীর হ’ল। জলে নানারূপ বৃক্ষ শাখা ভেসে চলতে লাগল। তারপর আর বৃক্ষ শাখা নয়, মোটা মোটা গাছই ভেসে যেতে লাগল। গাছে নানা জাতীয় বন্য জীব আশ্রয় নিয়েছিল। তারাও ভেসে যেতে লাগল। ঘাঁর মাঝে নানা জাতীয় সাপই বেশি। রাত অন্ধকার ছিল না। বলেই এসব আমাদের দেখার সুবিধা হয়েছিল। আমাদের সংগে * টিপ বাতি থাকায়ু দূরের জিনিস দেখার পক্ষে আরও সুবিধা ĝi হয়েছিল,