প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/১২০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ন্যাসালেণ্ড Σ. Σ' ό. চারি পাশে ঘন বন এবং উপবন রয়েছে। সেই বন এবং উপবনগুলিতে বিশেষ কোনও বন্যজীব নাই। অথচ ন্যাস লেকের পূর্বতীরে নানারূপ ধ্বংস স্তুপ রয়েছে, যার ঐতিহাসিক তথ্য জানা এবং তাই জেনে জগতবাসীকে জানানো, এই কঠোর কাজে আজ পৰ্যন্ত কেউ অগ্রসর হননি। আমার ইচ্ছা হল এই সম্বন্ধেই কিছু জানাব। এবং অস্তত পক্ষে ভাৱতবাসীকে জানাতে চেষ্টা করব । কিন্তু তা জানতে হলে ছােট ছােট ধ্বংস স্তুপকে পরিত্যাগ করে প্রসিদ্ধ ধ্বংস স্তুপের কাছে যাওয়াই ভাল। এই ঠিক করে আমি পথ ধরে অগ্রসর হতে লাগলাম ; পথ রেলগাড়ীর নয়, পায়ে হাট পথ। আমার গন্তব্যস্থানে পেঁৗছতে তিনটি মাসিক লেগেছিল। অনেকেই ভাববেন হয়ত আমি পথে ক্ৰমাগত চলছিলাম, হয়ত আমি লোকালয়ের সন্ধান কমই পাচ্ছিলাম। হয়ত আমার অর্থের কোন দরকার হয়নি । মনে রাখতে হবে আফ্রিকাতে ভারতীয় সন্ন্যাসীরাও যেতে ভয় পায় । সেখানে গংগানদী নেই, জনপদ নেই, অথবা স্বৰ্গে যাবার জন্য কেউ অন্নছত্রও খুলে বসেনি। সুখের বিষয় সেখানকার লোক এখনও অধ্যাত্মতত্ত্ববাদীদের নামও শোনেনি । এমনি দেশে ভ্ৰমণ করাটা বাস্তবিকই একটু কষ্টকর। প্রচুর টাকার দরকার হয়। লছমন সেদিন ঘরে ছিলেন না। তাঁর স্ত্রী আমাকে কিছু খাইয়ে নিকটস্থ একটি ভদ্রলোকেয় কৰ্ম্মচারীদের থাকবার ঘৱে থাকার ব্যবস্থা কুরে দিলেন। সারাটি দিন ঘুমিয়েই কাৰ্টয়েছিলাম। বিকালবেলা” স্থানীয় ভারতীয় ব্যবসায়ীদের সংগে মামুলীভাবে কথু হয়েছিল। কথা প্রসঙ্গে অনেকেই কলকাতার একখানা সাত্ম্য দৈনিক পত্রিকায় কথা বলছিলেন । এই পত্রিকার yo