প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/১২১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ΑΣ Α. অন্ধকারের আফ্রিকা আফ্রিকাতে অবাধগতি ছিল অথচ বম্বে ক্ৰনিকল, হিন্দু, অমৃতবাজার পত্রিকা এদের সকল সংখ্যা নিয়মিতভাবে পাওয়া যেত না। আমি তাদের এসম্বন্ধে কিছুই বলিনি তবুও তারা বলতে ছিলেন, “এদেশে হিন্দু মুসলমান বলে কোন প্রশ্নই নাই, যদি এ প্রশ্ন এদেশে জাগে তবে আমরাই মরব। আরবগণ কখনও নিজেদের মুসলমান বলে পরিচয় দেয় না, নিগ্ৰো নিগ্রোই, তাদের ধর্ম নিয়ে কোনও বলাই নাই। নিগ্রোদের এখন থেকেই নানারূপ মন্ত্র শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে । এদেশে যত ভারতবাসী এসেছে তারা নাকি সকলেই “ইণ্ডিয়ান ইহুদী” দেশে স্থান পায় না বলেই আফ্রিকাতে এসেছে। এদের দুঃখের কথা শুনে আমার একটুও দুঃখ হ’ল না, কারণ এরা বিদেশে এসেও তাদের মনকে উন্নত করে তাদের কৃষ্টির উন্নতি করতে সক্ষম হয়নি। ঘরে বাইরে সর্বত্র খু থু ফেলা, বর্তমান সময় উপযোগী • পোষাক না পরা, এসব যেন এদের ধাতে সয় না। তারই ফলে নিগ্রেীরাও এদের ঘূণা করতে আরম্ভ করেছে । পরদিন সকাল বোলা লছমন এসেই আমাকে ডাকলেন এবং গ্রামের লোকের কাছে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বল্লেন, “আপনাদের ভালমন্দ এর কাছে বলুন ইনি আপনাদের সাহায্য করতে পারবেন। ধম নিয়ে যে সকল সংবাদপত্র বেশি কথা বলে তাতে অনেক রিপোর্ট পাঠিয়েছেন” কিন্তু একটি সংবাদও সেই সংবাদপত্র ছাপেনি। এসব ধৰ্মষ্ঠীরু ভারতীয় সংবাদপত্র পাঠের ফলে আমাদের মধ্যে শুধু ভাংগনই ধরবে, একত্রিত হয়ে সমাজের উন্নতি করতে পারব না ।”, লছমনের কথার অর্থ সকলেই ভাল করে বুঝলেন । বম্বের একখানা পত্রিকা আমার বিরুদ্ধে বেশ দুকলম লিখে