প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/১২৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ਸ SSRS পদচারীর পক্ষে এরূপ ভয়কে মনে স্থান দেওয়া নিতান্ত অন্যায় ভেবেই পথ চলেছিলাম। পথে কোনরূপ দুর্ঘটনা ঘটেনি; বেলা ১২টায় জুম্বা শহরে পৌছে এবং কলকাতানিবাসী মিঃ দাসের গৃহে আতিথ্য স্বীকার করি । কলকাতানিবাসী মিঃ দাসের পুরা নাম হল মহেন্দ্ৰনাথ দাস। তিনি আমাকে অনুরোধ করেছিলেন তঁর কোন বিশেষ পরিচয় যেন আমি আমার ভ্ৰমণকাহিনীতে না লিখি। মিঃ দাস এক নিগ্রো রমণীকে বিবাহ করেছেন এবং সে নিগ্রেী রমণীর দিকে চারটি সম্ভাম’ হয়েছে। মিঃ দাস আমাকে পেয়ে বড়ই সুখী হয়েছিলেন এবং আমাকে তঁর ঘরে থাকবার বন্দোবস্ত করে দিয়েছিলেন । তঁর নিগ্রেী স্ত্রী বাংগালী মহিলাদের • ম,তই পাক করতে পারতেন। তা বলে তিনি বাংগালী স্ত্রীলোকদের মত পৰ্ব্বদা প্ৰথা গ্ৰহণ করেন নি। মিঃ দাস চাইতেন তঁর স্ত্রী পরদা মেনে চলুন ; কিন্তু এই কুপ্ৰথা নিগ্রেী মহিলা কোন মতেই সইতে পারতেন না বলে স্বামী স্ত্রীতে প্ৰায়ই কলহ হত। লক্ষ্য করে দেখলাম মিঃ দাসের অবহেলায় তার পুত্রকন্যাগণ ভালভাবে সামাজিক উন্নতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে না। শুধু মিঃ দাসের ছেলেমেয়েরাই সেদিকে পশ্চাৎপদ নয়, অন্যান্য যে সকল ভারতবাসী নিগ্রো স্ত্রীলোক বিয়ে করেছেন তঁরা প্রায়ই ছেলেপিলের প্রতি বিশেষ হাগ্ৰান্বিত নন। • যদিও জুম্বা ছোট একটি শহর তৃবুও এখানে অনেক ভারতবাসী নানা কাজকর্ম ক’রে বেশ দু’পয়সা রোজগার কয়ে। এখানকার রেলওয়ে বিভাগে অনেক ভারতবাসী চাকরী করছেন। নিগ্রেীরা স্টেশন মাষ্টার হতে পারে বটে কিন্তু ইউরোপীয়ান বা ইণ্ডিয়ানদের মত মাইনে পায় নী, সেজন্য নিগ্রোেরা বড় বেশী গোলও করে না, তারা সাধারণত অর্ন্তভাবে এ জিনিসটাকে দেখে। ন্যাসাল্যাণ্ডের নিগ্রোরা আবেদন নিবেদনের