প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/১৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


টাংগার পথে 廖 粤 যেতে বল্প। দিনটা ছিল ভয়ানক গরম, বাইরে বসে থাকতেই ইচ্ছা হচ্ছিল। তাকে অভয় দিয়ে বললাম “এখানে তােমার ভয়ের কোন কারণ নাই, বলত তোমার কি হয়েছে ?” তারু বলল “এযে বিদেশ বানা, এখানকার পুলিশ আমাদের পরিচয় পেলেই পোলট্যাক্স চার্জ করবে।” নিগ্রোদের মাথা পিছু দৃশ শিলিং করে পোল ট্যাক্স দিতে হয়, প্ৰত্যেক বৎস্তুর । যাদের যাড়ি-ঘর আছে তাদের প্রত্যেক ঘরের জন্তু ও দশ শিলিং করে দিতে হয় যদি সেই ঘর কোনও মিউনিসিপালিটির অন্তর্গত থাকে। আমি তারুর হাতে দু' পাউণ্ড দিয়ে বললাম এখন আর ভয় নাই ত? তারু দু’-পাউণ্ড পেয়ে এক দৌড়ে তার বন্ধুদের ডেকে নিয়ে এল। তারা প্ৰত্যেকেই বুঝল এখন আর তাদের ভয়ের কোন কারণ নাই। আমিও অনেকটা নিশ্চিন্তু হলাম। সে দিন আর কোথাও গেলাম না। তারু আমার জন্য ধরমশালাতেই পাক কৱল এবং আমার রুমেতেই তারা শুয়ে থাকল। আমার শরীরে বেশ ব্যথা হয়ে ছিল তাই গরম জল দিয়ে স্নান করে আমি শুয়েছিলাম। রাত তখন বোধ হয় দুটা হবে। দু’জন ভারতবাসী আমাকে ডেকে তুলে বল্লেন যদি আমি নিগ্ৰো সংগ পরিত্যাগ না করি তবে যেন সকাল হবার পূর্বেই ধর্মশালা ত্যাগ করি অর্থাৎ এখনই যেন বেরিয়ে যাই। আমি সে আদেশের প্রতীক্ষায় ছিলাম। গভীর রাতেই আমি একটি আম্রবৃক্ষের নীচে আশ্রয় গ্ৰহণ করলাম। রাত কাটল বেশ ভালই। আমি তখনও গভীর নিদ্রায় মগ্ন ছিলাম। সুৰ্য্যালোক গাছের প্লাতা ভেদ করে আমার মুখের উপর পড়ছিল 'দেখে তারু একখানা কাপড় আমার চোথে বিছিয়ে দিয়েছিল। চারিদিকে মাছি ভেন ভিন • করছিল দেখে অন্য তিন জন লোক গাছের ছোট ডাল দিয়ে মাছিগুলিকে “তুগুড়িয়ে, দিচ্ছিল। এ দৃশ্যটা অনেকের চোখেই পড়ছিল। দু’জন