প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/১৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8 2 টাংগার পথে 월 Ο S } ভাটিয়া মহাশয় অনেকদিন কলিকাতায় ছিলেন এবং তার প্রথম পুক্ষের স্ত্রীও বাংগালী থাকায় তঁর সহৃদয়ত আমার প্রতি আপনি এসে পড়েছিল। তিনি বাংলা বেশ ভালই জানতেন এবং আফ্রিকায় গিয়েও সাপ্তাহিক হিতবাদীর গ্ৰাহক ছিলেন । তিনি কয়েক সংখ্যা হিতবাদী আমাকে পড়তে দিয়েছিলেন, এতে আমায় ভ্ৰমণ-কাহিনীর সমালোচনা ছিল । • ভাটিয়া ভদ্রলোক কচ্ছের অধিবাসী । ঐতিহাসিক সংবাদ এবং স্থানীয় সংবাদ তীর কাছ থেকে প্রচুর পেয়েছিলাম। পাঁচশত বৎসর পূর্বেও যে এদিকে ভারতবাসীর চলাচল ছিল তার অনেক নিদর্শনও আমাকে দেখিয়েছিলেন। গোয়ার ভারতবাসীরা কোনও এক সময়ে । পর্তুগীজ অধিকারের আফ্রিকা দখল করে বসেছিল তাও তীরই কাছ : থেকে শুনেছিলাম। পুরাতন ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে আমি বেশি। মাথা ঘামাই না দেখে ভাটিয়া ভদ্রলোক একটু দুঃখিত হলেন বটে ; কিন্তু যখন তিনি শুনলেন আমি নিগ্রেী এবং ইণ্ডিয়ানদের সংগে একত্রে বসবাস করতে পক্ষপাতী। তখন তঁর আর আনন্দের সীমা রইল না । পরের দেিন তীর বাড়িতে আমার খাবার নিমন্ত্রণ করে আপ্যায়িত কয়লেন। সেদিন সন্ধ্যার পূর্বে সমুদ্রতীরে বেড়াতে যাই। যেদিকে নিগ্রোরা থাকে সেদিকে চলেছি দেখে সংগের ভারতীয়রা আমার সংগ পরিত্যাগ করল। আমি আমার নিগ্রোসার্থীদের সংগে নিয়ে সেদিকেই চললাম। পথের দুদিকে সারি দিয়ে পাতায় ছাওয়া ঘর। নিগ্রো জেলেরাই সেখানে থাকে। আমরা যখন চলছিলাম তখন

  • আমাদের ডান দিকে একটি নিগ্ৰো “উদয়শংকরী” নৃত্য করছিল।

আমাকে দেখেই লোকটা আমার কাছে দৌড়ে এসে বলল, “তুমি এদিকে কেন ? তুমি যাবে সেদিকে যেদিকে ইউরোপীয়রা তােমাদের পদাঘাত