প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/২৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ty অন্ধকারের আফ্রিকা তীরে নামতে হল। কাস্টম অফিসার ছিলেন ভারতবাসী । তিনি আমার প্রতি জুলুম করতে কসুর করেন নি। শরীর দুর্বল ছিল। সারাদিন খাওয়া হয়নি, তারপর এল কাস্টম অফিসারের জুলুম। এতে শরীয় এবং মন উভয়ই তেতে গিয়েছিল। তীয়ে নামার পর থর থর করে কঁপিছিলাম। সাইকেলে না উঠে হেঁটেই চলছিলাম। শরীর দুর্বল, মন আধমরা এর মাঝেও, জানজিবারের সৌন্দৰ্য আমাকে যেন গ্ৰাস করতে বসেছিল। পথে দেখা হল দুটি যুবকের সংগে । তারাই এসে আমার সংগে কথা বলল। তাদের বললাম “যদি দয়া করে একটা হোটেল অর্থাৎ থাকার স্থান দেখিয়ে দেন। তবে বাধিত হব৷” তারা ভারতীয় মুসলমান । তারা আমাকে বললে হোটেলে যাবেন কেন ? এই যে কাছেই আৰ্ষ সমাজ, সেখানেই থাকতে পারেন, চলুন আমরা আপনাকে আৰ্য সমাজের সেক্রেটারীর বাড়ীতে নিয়ে যাচ্ছি। তারাই পথ দেখিয়ে নিয়ে গেল ত্রিপাটীৱ বাড়ীতে। ত্ৰিপাটী অসুস্থ ছিলেন। ছেলেগুলিকে বলে দিলেন। তারাই যেন আৰ্য সমাজের দরজা খুলিয়ে দেয়। ছেলের প্রসিডেন্টের বাড়ী গেল এবং তঁর অনুমতি নিয়ে দরোয়ানের ফvg এসে দরজা খুলে দিতে বলল! দারোয়ান দরজা খুলে দিয়ে আমার জন্য মন্ত বড় একটা রুম পরিষ্কার করে দিল । আমি ফ্লমে গিয়ে আমার যথাসৰ্ব্বস্ব রেখে স্নান করে ঐ ছেলেদের সংগে করে একটা ভাতের দোকানে গিয়ে খেয়ে এলাম । তারপর বিশ্রাম। সে বিশ্রাম কি আরামের । পরের দিন আমি বসেছিলাম একটা চেয়ারে আর চেয়ে রয়েছিলাম সাগরের দিকে। সাগরের দৃশ্য চেয়ারে বসে অতি অল্পই দেখা যাচ্ছিল তবুও চেয়ে থাকা ছাড়া আমার উপায় ছিল না। আমার শরীয় ছিল ভয়ানক দুর্বল। কোথাও বসলে আর উঠতে ইচ্ছা করত না, जुहै