প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/২৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Σ xa& জানজিবার SS বসে রয়েছিলাম আর দেখছিলাম যা আসে দৃষ্টিপথে। কতক্ষণ পর একটি ছেলে এসে আমার কাছে বসল। সে আমাকে নানাদেশের সংবাদ জিজ্ঞাসা করল। আমি সংক্ষেপে কথার জবাব দিচ্ছিলাম দেখে বলল “রামনাথ, তুমি ভয়ানক পরিশ্রান্ত এখন আমার কথা শুন । গুজরাতীরা নাম ধরে প্রার লোককেই ডাকে এবং “তমো” শব্দ ব্যবহার করে। নাম ধরে ডাকা এবং অত্যধিক সম্মান না দিয়ে কথা বলার প্রচলন ভারতে ছিল । পুরাতন দ্রাবীড় রাজত্ব কালে রাজার সম্মান এবং দেবতার সম্মান করতে গিয়ে ভাষার অপব্যবহার করা হত না । ভাষার অপব্যবহার wোগল যুগে আরম্ভ হয়। মন যখুন দাসত্বের কালিমায় ভরে যা য়ু তখন সে মণিবকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে আবল তাবলই বকে { ভীতুর কথায় সম্মান বাড়ে না। এখনও উত্তর-ভারতে তার আঁচড় আছে। কিন্তু গুজরাতে, মহারাষ্ট্রে এবং দক্ষিণাত্যে তার অ্যাচড়ও পড়েনি , সজন্যই একটি ছেলে আমাকে আমার নাম ধরে ডাকতে পেয়েছিল । আমি ছেলেটিক্স কথায় সাড়া দিলাম । সে বলল, ঐ যে দেখছি দেওয়াল এ. পৰ্যন্ত হল আৰ্য সমাজের যায়গা কিন্তু দেওয়ালটা আৰ্য সমাজের নয়। ঐ দেওয়ালটার গায়ে কতকগুলি কুঁড়ে ঘর ছিল তাতে এনে রাখা হত যত সুন্দরী নিগ্রেী রমণী। ওদের বিক্রি করার পূর্বে স্লেন্ত তাদের উপর পাশবিক অত্যাচার করত । তাদের সংগে শিশু থাকলে সেই শিশুকে সমুদ্র ফেলে দিত, তারপর হতু বিক্রি। দেওয়াল জুড় পদার্থ না হয়ে যদি মানুষ হত। তবে বলতে পারত আমি যা বলেছি তুতার সবই ঠিক । তোমার শরীর ভাল হোক তারপর নিয়ে যাব প্ৰকাণ্ড একটা গুহায় । সেই গুহায় নিগ্রোদের পুরে রাখা হত। কেউ বাতাসের অম্ভার ময়ত, আর কেউ বা সর্পাঘাতে ইহজীবনের মায়া কাটাত।”