প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/২৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


* জানজিবার v R) প্রাকৃতিক মৃত্যু। হিন্দু যেমন নিজের প্রাকৃতিক মৃত্যু চায় তেমনি চায় তাদের রক্ষিত জীবজন্তুরও প্রাকৃতিক মৃত্যু হোক।।* পিনজিরাপোলের কাছে দাঁড়িয়ে শুধু তাই ভাবছিলাম তারপর সেদিনের মত ভ্ৰমণ সমাপ্ত করে নিগ্রেপাড়ায় গিয়েছিলাম । এখানে সবাই আমার দিকে চেয়েই রইল, কেউ কথা বলল না, এবং কথা বললেও • আমি বুঝতে সমর্থ হতাম না। নিগ্রেপাড়া হতে ফেরবার পথে একটি গুজরাতী স্কুল দেখতে পেয়ে শিক্ষক মহাশয়ের সংগে দেখা করলাম ; শিক্ষক মহাশয় একজন গুজরাতী । তিনি আমার সংগে ভাংগা হিন্দী এবং গুজরাতী ভাষায় কথা বললেন। এবং ছাত্রদের কাছে আমার অভিজ্ঞতা বলতে অনুরোধ করলেন । পরের দিন তার স্কুলে গিয়ে হিন্দুস্থানীতে ছাত্রদের আর্কর ভ্ৰমণকাহিনী কিছু বলেও ছিলাম। লক্ষ্য করেছিলাম। এখানকার গুজরাতী ছোট ছেলেরা তাদের মাতৃভাষা মোটেই বলতে পারে না, তারা বলে সোহেলী । যাতে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা গুজরাতী বলতে পারে সেজন্য শিক্ষক মহাশয়গণ সোহেলী ভাষার একটি কথাও স্কুলে অথবা স্কুল প্ৰাংগণে উচ্চারণ করতে পারতেন না। যদি করেন এবং কর্তৃপক্ষ যদি জানতে পারেন। তবে কম্যুত হওয়া অবশ্যম্ভাবী ছিল। অতি সুন্দর সংবাদ । পুৰ্ব্ব-আফ্রিকাতে তিনটি ভাষা। গজিয়ে উঠছে। ইংলিশ, সোহেলী আর গুজরাতী। গুজরাতী মুসলমান সোহেলী ভাষা গ্ৰহণ করতে বসছিল, কারণ হিন্দুৱা তাদের সংগে প্ৰত্যেক কাজেট পৃথক হয়ে থাকত। হিন্দুদের পৃথক হয়ে থাকার প্রত্যুত্তরে গুজরাতী মুসলমান মাতৃভাষা পরিত্যাগ করাই ঠিক করেছিল। কিন্তু আরাবেয়া ব্যবসােৱ এক চট্টোঘাতেই গুজরাতী মুসলমানদের আঙ্কেল ফিরে এসেছিলাম। তারা শুধু গুজরাতী ভাষা পুনরায় গ্ৰহণ কম্বল না, সোহেলী