প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/৪৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


88 অন্ধকারের আফ্রিকা হব । বান৷ এবার বিদায়, আমার বিদ্রোহী মন দীর্ঘজীবি হক । এই কথা কট বলেই তারু আমার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছিল। দ্বার-এ-সেলাম শহরে এসে কতকগুলি ভারতবাসীর সংগে সাক্ষাৎ হয়, তঁদের কাজকর্ম এবং চালচলন দেখে বুঝেছিলাম ঠাৱা নামের প্রত্যাশী। মোটেই নন। সেজন্য আমিও তঁদের নাম এখানে উল্লেখ করলাম না। ইয়া কাজ করে তঁাৱা বাস্তবিকই সর্বসাধারণের গ্ৰীতির ভাজন হয়। নাম তাদের কাছে আপনিই আসে। তঁদের অমায়িক ভাব এবং সৰ্বসাধারণের সাহায্যের জন্য জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সময় অতিবাহিত করতে দেখে আমার মনেরও অনেক পরিবতন হয়েছিল । তাদেরই আদেশে ডুডুমা (Dodiuma) নামক স্থান পৰ্যন্ত রেলগাড়ীতে ভ্ৰমণ করি। ডুডুমা হতে টাবোৱা ( "Tobora ) পৰ্যন্ত রেলগাড়ীতে না গিয়ে সাইকেলে গিয়েছিলাম। দ্বার-এ-সেলাম হতে ডুডুমা পর্যন্ত ভ্ৰমণকালে এমন কিছু ঘটেনি। যা আমি পাঠকের কাছে বলে পাঠককে একটু আনন্দ দিতে পারি। রেলগাড়িতে চলার পথে আমি ছিলাম দ্বিতীয় শ্রেণীর যাত্ৰী । দ্বিতীয় শ্রেণীতে সেদিন একটিও ভারতীয় নারী যাত্রী ছিলেন না, ক্ষত এবং বুস সাহিত্যের অবতারণা এখানে করা চলে না । তৃতীয় শ্রেণীতে চাটাই এর উপর বসে যে সকল নিগ্রোরমণী ভ্ৰমণ করছিলেন তাদের নিয়ে টানা-হেঁচকা কৱা আমার মত দরিদ্র পৰ্যটকের পক্ষে সম্ভব ছিল না, অতএব এই ভ্রমণ-পথটুকুর সংবাদ একেবারেই কিছু বলতে পারলাম না। সারাটি পথ ঘুমিয়েই কাটিয়ে দিয়েছিলাম। ডুডুমা পৌঁছেছিলাম রাত বারটায়। শহরের লোকজন তখন সকলেই ঘুমাতে ছিল। আমার সংগে যে কয়জন ভারতীয়ু যাত্রী গাড়ি হতে মামল তারা কেউ গেল নিজেদের ঘরে আর কেউ চায় শিখদের গুরুন্ধারে । আমিও তাদের সংগে চল্লাম। শহরের বুকের উপর দিয়ে