প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/৬০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অরণ্যে না হয়। সেজন্য এংলো-আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদীরা চেষ্টা করছে। জার্মান, ভারতের ইণ্ডো-এরিয়ান এবং ইউরোপের স্কোণ্ডিনেভিয়ানরা এংলো-আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদীদের সাহায্য করছে । ইচ্ছা করলেই আফ্রিকার নিগ্রেীরা তাদের মা-বােনকে বিদেশীর হাত হতে রক্ষন্ন করতে পারে, কিন্তু সেটি তারা করে না। যে কারণে নিগ্রোরা এ বিষয়ে কোনও প্ৰতিবন্ধক জন্মায় না, সেই কারণটি ভারতের সর্বত্র একদা প্ৰচলিত ছিল, নতুবা একই পরিবারে রং<েরংএর লোক বর্তমানে দেখতে পাওয়া যেত না ! নিগ্রোর পুরাতন ভারতীয় প্রথা অবলম্বন করেছে মাত্র । এরপরও আফ্রিকাতে একটি আইন আছে । সেই আইনটি হ’ল যদি কোন, ইউরোপীয়ান অথবা এশিয়াটিক কোনও বিবাহিত নিগ্ৰো স্ত্রীলোককে ফুসলিয়ে নিয়ে গিয়ে পুনরায়ু বিয়ে করে অথবা ঘরে চাকরাণী ক’রে রাখে। তবে সেই নিগ্রো স্ত্রীলোকটির স্বামী কোটে গিয়ে কোনয় সহায়তা লাভ করতে পারবে না। বিদেশী লোকটিই নিগ্রেী-স্ত্রীলোকটির মালিক হয়। তা বলে কোনও এশিয়াটিক অথবা ইউরোপীয়ান স্ত্রীলোককে নিগ্ৰোৱা যদি কোনও প্রকারোয় অসম্মান করে তবে সেই নিগ্রোর কঠোর শান্তি হয় । নিগ্রোদের অ-নিগ্রো স্ত্রীলোক বিবাহ করা প্রশ্নের মাঝেই আসে না । এই আইনটি টাংগানিয়াকা এলাকা যখন জার্মািনর শাসন করত। তখন প্রবর্তিত হয়েছিল। সুদক্ষ বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদীরা যখন টাংগানিয়াক এলাকা তাদের ম্যানডেট কল্পে নিল তখন 'দুষ্ট’ * জাৰ্মানদের “নিকুষ্টি আইনটি ‘শিষ্ট ভাবেই বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদীরা গ্ৰহণ করল। , বৃটিশের নিয়ম হল, পুরাতনকে বজায় রেখে নতুনের জন্ম না