প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/৬২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অরণ্যে (፩ ዓ সাহায্যে এই জানোয়ারকে ধরতে পারা যায়। শুনেছি জংলী গরু নাকি পোষ মানে না। সেদিন বেশি চলতে পারলাম না । তার পরের দিন আমরা একটি ছোট গ্রামে উপস্থিত হলাম। গ্রামে নিগ্রো ছিল না, সকলেই ইণ্ডিয়ান এবং ইউরোপীয়ান। ইণ্ডিয়ানদের সংখ্যাও বেশি নয়। যে কয় ঘর জার্মান্ত্রি গ্রামে বাস করত তারাও ইণ্ডিয়ানদের হতে বেশি দূরেই থাকত। ইণ্ডিয়ানদের সংগে তাদের কোন সম্পর্ক ছিল না বললেও চলে। বৰ্ণবিদ্বেষ জার্মানদের মাঝেও প্রচুর ছিল। তবে তারা ডিপ্লমেন্সী করত না । সোজা কথায় জানিয়ে দিত ইণ্ডিয়ানরা তাদের সমকক্ষ কোনমতেই নয় এবং সেইজন্যই তারা ইণ্ডিয়ানদের তাদের হোটেলে স্থান দেয় না। দিতে পারতও না । ইউরোপের শিক্ষা অনেক উন্নত স্তরের এ কথাটা আমাদের মানতেই হবে। নাগরিক হবার উপযুক্ত জ্ঞান তাদের সকলেরই আছে অথচ আমাদের সেদিকে লক্ষ্যই নাই। আমরা যেখানেসেখানে থুথু ফেলি। ফেজ মাথায় দিতে কোনরূপ দ্বিধা বোধ করি না। ঘরের মেজেতে হাটবার সময় ধুপধােপ ক'রে চলি। জার্মানরা এসব মোটেই পছন্দ করে না, এবং সেজন্যই আমাদের তাদের কাছে ঘোঁসিতে দেয় না । বৃটিশ হল শাসক, তাদের কথা না বললেও চলে। তবে বৃটিশ বড়ই ডিপ্লম্যাট । অনেক সময় বৃটিশরা বলে, “আমরা বর্ণবৈষম্য মোটেই পছন্দ কৰি না-জার্মানরা এই কুপ্ৰথা এদেশে প্রবর্তন করেছে, সেজন্যই আমরা মেনে চলতে বাধ্য। “গ্রামে এসে একটা ঘর ভাড়া করে তাতে প্ৰবেশ করলাম, কারণ এখন আমার পক্ষে নিগ্ৰো সার্থীদের পরিত্যাগ করা উসম্ভব কুয়ে পড়েছিল। সার্থী নিগ্ৰোৱা গরম জল করে আমাকে স্নান করতে