প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/৬৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অরণ্যে (2දී) শহর থেকে বের হয়ে বিকালবেল গ্রামে যেতম এবং নিগ্রোদের ক্রমবিকাশ দেখতাম আর সন্ধ্যার পূবে ধরমশালায় ফিরে আসতাম। মোয়ান্‌জায় বার মাসই আম পাওয়া যায়। ডাক্তার আমাকে আম খেতে নিষেধ করেছিলেন, কারণ এখানকার আমি বড়ই টকা। ডাক্তারের আদেশ কিন্তু আমি মানতাম না । সুপক্ক আমি পেলেই একটু খেয়ে দেখতাম যে কেমন আমি। বাস্তবিকই আমগুলি টক । তবে একটু চেষ্টা করলেই আমের উন্নতি হতে পারে। এখানে, নানারূপ মাছ, মাংস, দুধ, চাল, ডাল সবই পাওয়া যায়। প্রকৃতপক্ষে স্থানটি বাংগালীদের বাস করবার উপযুক্ত স্থান। মোয়ানজায় ভারতীয় খোজাদের সংখ্যা বেশি ; খোজা দু'রকমের । এক দল হল আগাখানী অন্য দল হল ইস্নেসেৱী। উভয় দলের লোকই ভীতু। নিগ্রো, আরব এবং অৰ্দ্ধ আরবদের খোজার বেশ ভয় করে । এখানে বেণেও আছে। তারা সাহসী এবং বেশ দাপটের সংগেই বাস করছে। কয়েকটি গ্ৰীক পরিবারের সংগেও আমার দেখা হয়। তাদের ভাষা যদিও গ্ৰীক তবুও এদের গ্ৰীক বলে বিশ্বাস করতে ইচ্ছা হত না । এদের আকৃতি নিগ্রোদের মতই। তবে এয়া গ্ৰীক এবং ইংলিশ ছাড়া অন্য কোন ভাষা বলত না । দু-এক ঘর লোক হলে কি হয়, এদেরও বেশ সাহস আছে। এখানকার ভারতীয় মুসলমানগণ ইসলাম অথবা মুসলমান বলে পরিচয় দেয় না এবং ভবিষ্যতেও পরিচয় দেবে না। তার একমাত্র কারণ হল, এখানকার কতকগুলি নিগ্রে মুসলমান ধর্ম গ্ৰহণ করে মুসলমান বলে পরিচয় দিতে আরম্ভ করেছে। ভারতীয় মুসলমানরা যদি মুসলমান বলে পরিচয় দেয়। তবে পোলটেক্স হতে বৃেহাই পেতে পারবে, কিন্তু গাড়িতে নিগ্রোদের এক সংগে বসতে হবে, শহর ছেড়ে চলে যেতে হবে। এসব কথা ছেড়ে দিলেও আরবগণ নিগ্রোদের