প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/৬৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


\ Xჯტ8 অন্ধকারের আফ্রিকা আর একটা নাম, নিয়েছে, সেই নামটা হ’ল “কাফির”। মুসলমান হয়ে “কাফিয়া” বলে লোক সমাজে পরিচিত হওয়া বড়ই লজ্জাকর বিষয়। সেজন্য ভারতীয় মুসলমানরা এখানে হয় ইণ্ডিয়ান বলে পরিচিত নয়ত খোজা, বোৱা, বেণে বলে নিজেকে অভিহিত করে । কোনও এক সময়ে এখানে নাকি প্যান-ইসলাম মোভমেণ্টের বেশ তোরজোর ছিল । আফ্রিকাতেও তার ধাক্কা এসে লাগে । তখনকার দিনের কয়েকটা লাইব্ৰেৰী এখন ও বর্তমান আছে এবং তখনকার দিনের কয়েকখানা সংবাদপত্র আজ পর্যন্ত ( ১৯৩৯ খৃঃ) বেঁচে আছে। এই সংবাদপত্রগুলির পাশেই দেখলাম স্টার অব ইণ্ডিয়াও স্থান নিয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করে মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের একটা ন্যাশনে পরিণত করতে কিন্তু পেরে উঠে না । আবার, তুরুক এবং ইরাণী এসব ছোটখাট বিষয়ে বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদীদেৱ প্রপেগেণ্ডায় নাচতে রাজি নয়। আরবগণ প্যান-ইসলামেব এত বিরুদ্ধবাদী ষে তারা ভুলেও এসব লাইব্রেরীতে আসে শ এবং নিজেদেরও সকল সময় আরব বলে পরিচয় দেয় । ছোট শহর মোয়ান্‌জাতে শরীর একটু ভাল হবামাত্ৰ য়েলগাড়ীতে করে টাবোরা আসি। এখানে থাকবার একটি বেশ ভাল স্থান পেয়েছিলাম। এখানের হিন্দুৱা সকলে মিলে একটি ভারতীয় বিশ্রামাগার করেছে। বিল্ডিংটি বড়ই সুন্দর এবং থাকার সুবন্দোবন্ত সুচারু রূপেই করা হয়েছে। খাটিয়ার উপর জাজিম, বিছানার চাদর এবং বালিশ দেওয়া হয়। পাশেই একটি পাতকুয়া, তার জলও বেশ, ভাল ঘরখানা দেখার ভাৱ একজন নিগ্রোকে দেওয়া হয়েছে। নিগ্রোটিও চালাক। যদি কেউ তাকে পাক করে খাওয়াতে বলে BDB DODBSSSS KBD BKS S D ESsBLDD BB DBZS