প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/৭০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অরণ্যে এক শিলিং দাবী করে। এতে আমার ভালই হয়েছিল । দু-বেলা দু-শিলিং খরচ করে নানারূপ ব্যানজন এবং ভাল ভাত পেতাম। এই শহরের আবহাওয়া অন্য রকমের। এখানেও নানা দেশের লোক আছে এবং তারা প্ৰায়ই বৃহত্তর রাষ্ট্রনীতির চিন্তা করেই সময় কাটায়। প্যান-ইসলাম, প্যান-আফ্রিকান প্যান-আরব এসব ভণ্ডামী এখানে না দেখতে পেয়ে সুখী হয়েছিলাম। ভারতীয় বোৱা শ্রেণীর লোকই ব্যবসাবাণিজ্য ক্ষেত্রে প্রাধান্য লাভ করেছে । ভারতীয় বােরাদের মাঝে পর্যটক গ্ৰীতি বেশ আছে। তারা কোন সভা-সমিতির পক্ষপাতী নয় । এক স্থানে বসে মানা দেশেয় কথা শুনতেই ভালবাসে। এখানকার সিয়াগণ সুন্নি-বিরোধী। “সুন্নিরা পৌত্তলিক প্রমাণ করতে গিয়ে একজন ভদ্রলোক কাবার কথা বললেন। কাবাতে নাকি এখনও একটি কালো পাথর আছে যাতে চুম্বন না করলে হাজী হওয়া যায় না। হজরত মহম্মদ নাকি পৌত্তলিকদের সংগে আপোষ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।” আমি মুসলমানদের তীৰ্থস্থানে যাইনি বার বার বলা সত্ত্বেও এসব অপ্ৰাসংগিক কথা বলে কথকগণ সময় কাটাতে আরাম বোধ করছিলেন । এথানকার চায়ের দোকানগুলিতে আসলেই মনে ক্ষুর্তি হয়। প্ৰত্যেকেই চায়ের দোকানে এসে ভাবের আদান-প্ৰদান করে । নানারূপ বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করে । আলোচনার সময় একে অন্যকে সম্মান করে কথা বলে । অপরের কথা সহকরার ক্ষমতা প্রায়ু লোকেরই আছে। আরব, ইরাগী এবং উত্তর-আফ্রিকার অনেক লোক সন্ধ্যার পর এসে চায়ের দোকানে সমবেত হয়। আমার মনে হ্রয় আরবদের কাছ থেকেই এখানকায় লোক অন্যের কথা ধৈৰ্যের সহিত শুনতে শিখেছে। আৱবগণ ধর্ম নিয়ে মাথা ঘামায় না, কিন্তু ভারতবাসী 邀