প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/৭৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


R অন্ধকারের আফ্রিকা টিপ বাতি দিয়ে কি দেখল, তায়পর ষে দিকে আমি দৃশ্যটি দেখেছিলাম সেদিকেই আগিয়ে চলল। বোধ হৱ কুড়ি হাত দুয়ে গিয়েই সে ফিরে এল এবং সযত্নে রক্ষিত এক খানা লম্বা লাঠি হাতে করে বেশিদূর না যেতেই একটা লম্বা সাপ তাকে যেন আক্ৰমণ করবে সেরূপ ভাবেই দাড়িয়ে উঠল। নিগ্রোটি কোন কথা না বলে তৎক্ষণাৎ সাপটার ঠিক ফণার পাশে এমনি একটা আঘাত করল। যাতে সাপটা চিরতত্বে পৃথিবী হতে বিদায় নেবার জন্য প্ৰস্তুত হল। সে আরও একটু আগিয়ে গিয়ে সাপটায় লেজ ধরে টেনে বের করল এবং সাপটকে একটা রসির মত কতক্ষণ ঘুরিয়ে দূরে ছুড়ে ফেলে দিল । তারপর সে কুমাবার নিবিকার চিত্তে বিছানায় এসে শুয়ে আমাকে বলল, “অনুগ্রহ করে আপনি আজ রাত পাহাড় দেবেন, আমি এখন শুইলাম।” কিছুই তাকে না বলে আমিও সিগারেটে দাম দিয়ে চারি দিকে চেয়ে দেখতে লাগিলাম । লোকে মুখে মুখেই বলে মরতে চায় কিন্তু অন্তরে বঁচিব , প্ৰবল আকাঙ্ক্ষা রাখে । এত পরিশ্রমের পরও আমায় নিদ্রা ৭ সেনি, কি জানি মদি কোনও বন্য জন্তু এসে আক্রমণ করে । সারাটা রাত জেগে৷ থাকলাম, একটুও ঘুম আসল না। সুৰ্য উঠবার একটু পূর্বে নিগ্রো সার্থীদের জাগিয়ে আমি শুয়ে পড়লাম। বেলা ন’টা পৰ্যন্ত ঘুমিয়ে ফের &न् शब्ां । এদিকের পথের দৃশ্যাবলী বড়ই চমৎকার। পাহাড় সবেমাত্র গঠন আরম্ভ হয়েছে। এ কথাটা শুনতে একেবারে বদখাতই মনে হয়। এসম্বন্ধে কিছুই এখন বলা হবে না। এসব হ’ল ভৌগোলিক তথ্য । ভৌগোণিকদের পক্ষে সামান্য ইংগিতই যথেষ্ট । সেদিন আমরা আনুমানিক কুড়ি মাইল পথ চলেছিলাম, সর্বত্রই .