প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/৮৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


tr অন্ধকারের আফ্রিকা দেখিয়ে रैनन আমরা প্ৰত্যেকে খাবার এবং শুইবার জন্য পনর শিলিং করৈ দিয়াছিলাম। আমার সংগে অন্য আর একজন ভারতীয় ভদ্রলোকও ছিলেন। তিনি ধর্মে আঁগাখানী খোজা । তিনিই আমাকে এই ইউরোপীয়ান হোটেলে নিয়ে এসেছিলেন । তিনি ধর্ম সম্পর্কিত আইন কিছুই মানতেন না এবং বলতেন, আগা খাঁ যেমন মানুষ তিনিও তেমনি “মানুষ । অতি সংক্ষেপে বলছি, তিনি ভগবান বলে কিছুই স্বীকার করতেন না, সেজন্যই তিনি তার সমাজ হতেও বিতাড়িত হয়েছিলেন। এই ভদ্রলোক হোটেল-গিল্লির সংগে আমাকে পরিচয় করিয়ে দেবার সময় বল্লেন, “যদিও আমীয় পাখী দেখতে কালো, তবুও তিনি আমাদেরই একজন । তার মতিগতি প্ৰগ্রেসিভ।” ভদ্রলোকের কথা শুনে হোটেল-গিল্লির মুখের ভাব একেবারে বদলে গেল। তৎক্ষণাৎ তিনি আমাকে স্নানের ঘর দেখিয়ে দিলেন এবং স্নান করে আসলে এক পেয়ালা চা দেবেন। সেকথাও জানালেন । সুন্দর বাথরুমে গরম ঔজ্জ্বলে স্নান করে বেশ আরাম পেলাম । হোটেল-গিন্নি এক পেয়াল{ চা হাতে করে আমার সামনে ধরে বললেন, “তবে আপনি আমাদেরই লোক, বলতে পারেন। আপনার শরীরে কয় য়ুকমের রক্ত আছে?” আমি বললাম, “আমার শরীরে, আমার জানা-মতে তিন রকমের রক্ত আছে” এবং কি ? কি রকমের রূক্ত আছে তাও বলে দিলাম। হোটেল-গিগ্নি আমার কথা শুনে চমৎকৃত হলেন এবং তঁদের গাভীগুলি দেখতে " নিয়ে গেলেন । হোটেল-গিরির ষোল-সত্ত্বে বৎসরের মেয়ে তখন গাই দোয়াচ্ছিল। আমরা দূরে থেকে • তার কােজ 'দেখতে লািগলাম। কতক্ষণ পর হােটেল-গিন্নি চােখের জল ফেলে বললেন, “আমার এমন সুন্দর এবং কর্মঠ মেয়ে ককে বিয়ে