প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/৮৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


4. ન્યૂર অন্ধকারের আফ্রিকা ফিভার” আছে। স্বর্ণখনিকে “ইয়েলো ফিভার’ মারাত্মক রোগের . জন্মস্থান আখ্যা দিয়ে ঘরে বাইরে প্রচার হয় । দুঃখের বিষয় এসব কথার প্রতিবাদ কেউ করে নী, আমি শুধু দেখে গেলাম, বল্লামও, তবে আমার কথার কোন মূল্য আছে বলে মনে হয় না, কারণ আমার পাঠকশ্ৰেণী হলেন বাংগালী । বাংগালী পরাধীন। পরাধীনের কথা কেউ শুনতে রাজী নয় । 缓V বেলা সাতটার সময় আমরা একটি ছোট পাহাড়ের দিকে অগ্রসর হলাম। পাহাড়ের পথের দুদিকে সুন্দর পাইন বৃক্ষ রোপা হয়েছিল। পাইনগাছগুলি এখন বেশ বড় হয়েছে। দেখতে বেশ সুন্দর দেখায়। পাইন গাছগুলি জাৰ্মানদের রাজত্বের সময় রোপণ করা হয়েছিল, সেজন্যই গাছগুলি লাইন-বাঁধা। বৃটিশরা কখনও পাইন গাছ রোপণ করে না, তারা পাইনের দানা জমির উপর ছড়িয়ে দেয়, পরে যখন গাছগুলি বড় হয় তখন আবাদকারী গাছগুলি কেটে ফেলে। পাইন বাগিচায় শেষ সীমান্ত হতেই মরিয়া শহর আরম্ভ হয়েছে। আমরা শহুরে এসে সর্বপ্রথম ইউরোপীয়ান বসতিতে গেলাম। সেখানে আমাদের নাম ধাম এক জন বৃটিশ অফিসার লেখে আমাদের ছেড়ে দিলেন। আমরা ফোর ইণ্ডিয়ান শহরে আসলাম । মরিয়া শহয় লম্বায় * চওড়ায় এক মাইলের বেশী হবে না। দক্ষিণ দিকে জার্মানরা থাকে আর উত্তর দিকে থাকে ইণ্ডিয়ান। ,জার্মানরা ব্যবসা করে। সরকারী চাকরি তাদের দেওয়া হয় না । ইণ্ডিয়ানরাও ব্যবসা এবং ছোটখাটাে সরকারী চাকরিও পায়। আয়ের দিক থেকে স্থানীয় জার্মািনয়া ইণ্ডিয়ানদেয়। চেন্থে কমই রোজগায় করে। কিন্তু তাদের পাড়ায় গেলে নয়ন তৃপ্ত হয়, আর ভারতীয় পাড়ায় আসলে মন আপন হতেই ছােট হয়ে যায়। এখানকার ইণ্ডিয়ানদের ঘর নীচু এবং অপরিষ্কার। দরজায় কীচ লাগানো