প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/৮৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


fঅরণ্যে r নাই। ঘরের ভেতর প্রবেশ করলেই দুৰ্গন্ধ নাকে এসে লাগে 1. গোদুগ্ধের ব্যবহার অতি অল্প এবং গোদুগ্ধ হতে ক্রিম, দই, তাজা মাখন, এসব বিক্রি করার একখানাও দোকান নাই। মবিয়ায় জার্মানদের লোকসংখ্যা হবে কুড়ি জন। এই কুড়ি জন লোক দুটি রেস্তোরায় যায় এবং তাদের রেস্তোরা বেশ গুলজার। তিন হাজার ভারতবাসী এখানে বাস করে। এদের একখানা রেস্তোরা জীথবা হোটেল নাই । অনেকে বলতে পারেন। ভারতবাসী উদার তারা বড়ই অতিথিপরায়ণ । যারা এসব কথা বলে তাদের ব্যক্তি স্বাধীনতা সম্বন্ধে কােন জ্ঞানই রাখে না। আজ যদি এখানে একটি ইণ্ডিয়ান হোটেল অৰ্থাৎ শুইবার স্থান থাকত। তবে আজই আমি এখান থেকে চুনিয়া রওয়ানা হতে বাধ্য হতাম না। " আমাদের মোটর। লরী এক জন সিল্ক ব্যবসায়ীর দোকানের সামনে এসে দাঁড়াল। আমি সে দোকানো গেলাম এবং আমার পরিচয় দিলাম। দোকানীর কাছেই একজন পারসী ভদ্রলোক বসা ছিলেন। তিনি দাড়িয়ে আমার সংগে করমর্দশ করলেন এবং সিন্ধি ভদ্রলোককে বল্লেন, “আজি আমি একে চুনিয়া নিয়ে যাব। প্ৰকাশ্যে ইনি চুনিয়া যেতে পারবেন না । আমি যদি নিয়ে যাই তবে তার কোনরূপ বেগ পেতে হবে না। সিন্ধি ব্যবসায়ী তার প্রস্তাবে রাজি হলেন এবং সেদিনই আমরা সন্ধ্যার অন্ধকারে চুনিয়ার দিকে অগ্রসর হই। গাড়িতে বসেই পারসী • ভদ্রলোক বললেন “আমার মোটর প্লৱীক্ষা হলে গেছে, সেজন্যই আপনি আমার সংগে যেতে পারছেন নতুবা চুনিয়া দেখু আপনার হত না। চুনিয়া যেতে হলে দুই শত পনচাশ ইংলিশ পাউণ্ড জমা রেখে তারপর চুনিয়াতে রওয়ানা হতে পারতেন। কারণ চুনিয়ার কাছেই স্বর্ণান্তি Sct

  • মোটৱকণর ড্রাইভার কয়েক মাইল গিয়েই বা দিকে মোটর