প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/৯০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


fঅরণ্যে f নীচে যে ভূমি তা ঢেউ খেলে কোথায় চলে গেছে তার ঠিকানা করাও কষ্টকর। এমনি করে যখন মাইলের পর মাইল চলে গিয়ে আমরা পর্বতের চূড়ায় উঠিলাম। তখন আমি পারসি ভদ্রলোককে মোটর থামাতে বললাম। পারসি ভদ্রলোক মোটর থামালে আমি মোটর হতে নীচে নেমে পর্বতের চার দিকটা বেশ ভাল করে চেয়ে দেখলাম । আমাদের সামনে অর্থাৎ পশ্চিমদিকের ভূমি ক্ৰমেই ঢালু হয়ে আগিয়ে অদৃশ্য হয়েছে। ক্ৰমে ঢালু স্থানটার” ডানে এবং বায়ে উলু জাতীয় ছন আর কদম জাতীয় বৃক্ষে পূর্ণ। বহুদূরে কতকটা স্থান যেন ধূসর বর্ণের একটি বন । স্থানটা যেন নড়ছে। যেন তার উপর ঢেউ খেলছে। সেই ঢেউ খেলা আর কিছুই নয়, বন্য চতুষ্পদ জীব আরামে ঘাস খাচ্ছে। তাদের সংখ্যা লক্ষ লক্ষ হবে! আমি সে দৃশ্য দেখে আনন্দিত হয়েছিলাম বটে, কিন্তু কাছে গিয়ে দেখবার সুযোগ পাইনি । মাইল দশেক যাবার পরই আমরা চুনিয়া শহরে গিয়ে উপস্থিত হলাম। পারসি ভদ্রলোক আমাকে, তার ঘরে না নিয়ে মিঃ। চেলায়াম নামীয় এক সিন্ধি ভদ্রলোকের ঘরে থাকতে দিলেন । চেলায়াম আমাকে মোটেই পছন্দ করেন নি, শুধু চাকরের ঘরটা দেখিয়ে দিয়ে } আপন কাজে মন দিলেন। বলছি চাকরের ঘর, তাও আবার ভারতীয় চাকর। ভারতীয় চাকর চাকরই হয়। আমি ঢুকরের ঘরে প্রবেশ * স্কুরেই চাকরের বিছানাটা বেশ করে ঝেড়ে তাতে আমার কম্বলটা পেতে ফেললাম, তারপর গেলাম স্নান করতে। তখন বেশ শীত। এই শীত ঠাণ্ড জলে স্নান করা চলে না, কিন্তু যাৱ স্থান চাকরের ঘরে হয় তার শীতের সময় ঠাণ্ডা জলেও স্নান করতে হয়। ঠাণ্ডা জলে স্নান করে এসে