প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/৯৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অরণ্যে ŞM) হয়েছিল এবং আনন্দের আতিশয্যে রেস্তোরার মালিককে ঘুম থেকে উঠিয়ে চায়ের বন্দোবস্ত করে দিতে বলেছিলাম। চায়ের দোকানের মালিক আমার দিকে চেয়ে বলল, “এত আনন্দের কারণ কি মিষ্টার ?” তাকে জানালাম আজ নতুন ধরণের লোক দেখতে পেয়েছি, এই যে ভদ্রলোক বসে আছেন, তিনি হলেন বাড়ডোর লাইনার। দোকানী বললে, “তই দেখে এত আনন্দ, যাক আজ আমি আপনাকে আরও নতুন কিছু দেখাব।” চা খেয়ে আমি সিন্ধি ধনীর ঘরে ফিরে আসতেই, চেলারাম বললেন, এখনই এক জন লোক তোমাকে নিয়ে গ্রামে যেতে চায়, একটু বস, সে এখনই আসছে। চায়ের দোকানের মালিকের মোটরকার ছিল। তিনি মোটরে করে এসে বাইরে থেকেই আমাকে অংগুলি সংকেতে ডাকলেন। আমি তার মোটরে গিয়ে বসলাম । মোটর ভো ভো করে চলল। আমরা চুণিয়ার পশ্চিম দিকে রওয়ানা হলাম ! ঘণ্টা দুই যাবার পর আমরা বেশ বড় একটি নিগ্রে গ্রামে এলাম। এরূপ গ্ৰাম আফ্রিকাতে কমই দেখেছি। গ্রামের শ্ৰী আছে। পথ ঘাট সবই পরিষ্কার কিন্তু লোকগুলি বিশেষ করে স্ত্রীলোকগণ একেবাৱে উলংগ । আফ্রিকাতে উলংগ থ্রিীলোক অনেক দেখেছি। তবে এখানকার মত কোথাও দেখিনি। স্ত্রীলোকদের চক্ষু দেখলে মনে হয় তাদের প্রত্যেকেরই লজ্জা আছে।” পিতা, মাতা, ভাই, বোন, ছেল্লেমেয়ে এসবের পার্থক্য অনুভবও আছে তবে কেন এরা একেবারে উলংগ থাকে তা মােটেই বুঝতে পারলাম না। "পুরুষদের সকলেই ইউরোপীয় পোষাকে আবৃত। এমনকি পুরুষদের গলা হাঁতে মাথা পর্যন্তই বস্ত্রাবৃত। পা পৰ্যন্ত তারা ঢেকে রাখতে পুরত্যুে ষোল বীচে। স্ত্রীলোক উলংগ আর পুরুষগণ বস্ত্রাবৃত এয়। কারণ যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে তবে সকলেই বলে এটা হল তাদের “রেওয়াজ” মানে