প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১২৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


UMNs ১২৯ ৷৷ আজি এসব কথা মনে উঠিতেছে ? ঘয় অন্ধকার •••খাটের তলায় নেংটি ই’দর ঘােট ঘটা করিতেছে। সর্বজয়া ভাবিল, ওদের বাড়ির কলটা না আনলে আর চলে না-নতুন মােগাগলো সব খেয়ে ফেললে । কিন্তু নেংটি ইন্দিরের শব্দ তো ?--সবজিয়ার আবার সেই ভয়াটা আসিল, দদািমনীয় ভয়- “সারা শরীর যেন ধীরে ধীরে অসাড় হইয়া আসিতেছে শুয়ে- ‘‘পায়ের দিক হইতে ভয়টা সড়সড় কাটিয়া উপরের দিকে উঠিতেছে, যতটা উঠিতেছে, ততটা অসাড় করিয়া দিতেছে- ‘‘না-পায়ের দিক হইতে না-হাতে আঙলের দিক হইতে" - "কিন্তু তাহার সন্দেহ হইতেছে কেন ? “ইন্দিরের শব্দ নয়। কেন ? কিসের শব্দ ? কখনও তো এমন সন্দেহ হয় না ? - “হঠাৎ সবজিয়ার মনে হইল না-পায়ের ও হাতের দিক হইতে সড়সড় কাটিয়া যাহা উপরের দিকে টুঠিতেছে তােহা ভুয় নয়-তৃহা মাতৃ । মাতু ? ভীষণ ভয়ে সবজিয়া ধড়মড়া &স্কৃয়া আবার বিছানা হইতে উঠিতে গেল” “চীৎকার করিতে গেল” “খবৰ”-“খব, চীৎকার, আকাশফাটা চীৎকার-অনেকক্ষণ চীৎকার করিয়াছে, আর সে চোচাইতে, পারে না”, “গলা ভাঙিয়া আসিয়াছে’, ‘কেউ আসিল না তো ?--কিন্তু সে তো কিছানা হইতে" -বিছানা হইতে উঠিল-কখন ?- “সে তো উঠে নাই-ভন্নটা সােড়সড়ি কাটিয়া সারা দেহ ছাইয়া ফেলিয়াছে, যেন খাব বড় একটা কালো মাকড়সা • • শাড়ের বিযে দেহ অবশ্য-”অসাড় হাতও নাড়ানো যায় না-পা-ও না-সে। চীৎকার সন্দর জ্যোৎস্না উঠিয়াছে ‘‘একজনের কথাই মনে হয়-অপ-অপ-অপকে mB B DB BYLLL DSBBBiBSSDBBBD BBDB BBYYY নিজে অনেকক্ষণ কদিতেছে - ‘এতক্ষণ তো টের পায় নাই ! :- আশচযা • • “চোখের জলে বালিশ ভিজিয়া গিয়াছে যে ! • • • জ্যোৎস্না অপাবে, ভয় হয় না” – “কেমন একটা আনন্দ; ‘আকাশটা, পরাক্তন আকাশটা যেন স্নেহে প্রেমে জ্যোৎস্না হইয়া গালিয়া ঝরিয়া বিন্দীতে বিন্দীতে নিজেকে জ্যোৎস্নার আলোয় জানালার গরিষদে ধরিয়া হাসিমখে ও কে দড়িাইয়া আছে ? -- সবজিয়ার দন্টি পাশের জানলার দিকে নিবন্ধ হইল - “বিস্ময়ে আনন্দে রোগশীর্ণ মখখানা মহতে উপেজবল হইয়া উঠিল - “অপ” - দাঁড়াইয়া আছে -এ অপ নয়-“সেই ছেলেবেলাকার ছোট্ট অপর ‘এতটুকু অপ-নিশ্চিন্দিপরের বাঁশবনের ভিন্টেতে এমন কত চৈত্র-জ্যোৎস্না-রাতে ভাঙা জানালার ফাঁক দিয়া জ্যোৎস্নার আলো আসিয়া পড়িত যাহার দন্তহীন ফুলের কড়ির মত কচি মাখে-“সেই অপ” । । ওর ছেলেমানষে খঞ্জন পাখির মত ডাগর ডাগর চোখের নীল চাহনি- “চল কোঁকড়া কোঁকড়া-মািখচোরা, ভােলমানষে লাজক বোকা জগতের ঘোরপ্যাঁচ কিছুই একেবারে বোঝে না- “কোথায় যেন সে যায়, “নীল আকাশ বাহিয়া বহন দরেকহতু দরের দিকে, সনাল মেঘপদবীর অনেক উপরে- যায়---যায়---যায়---যায়মেঘের ফাঁকে যাইতে যাইতে মিলাইয়া যায় বঝি মােত্যু আসিয়াছে {***কিন্তু তার ছেলের বেশে, তাকে আদর করিয়া సి ܗܝ