প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১৪৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অপরাজিত SSC: পাড়াগাঁয়ে গিয়ে মাঠে, বনের ধারে ধারে সারাদিন বেড়িয়ে কাটাব।--বেশ সেখানেই লতা-কাঠি কুড়িয়ে আমরা রাঁধব-বিকেল হবে-পাখীর ডাক যে কতকাল শানি নি ! দোয়েল কি বৌ-কথা-কও, এদের ডাক তো ভুলেই গিয়েছি, রবিবার দিনটা ছটি, চল যাবি ?-এখন কত ফুল ফোটারও সময়-আমি অনেক বনের ফুলের নাম জানি, দেখিসহ চিনিয়ে দেব । যাবি প্রণব, চল আজ থিয়েটার দেখি ? সন্টারে ' 'नक्षदाद्धि अकाप्रभाँी' जाछ-क्षादि ? নিজেই দ’খানা গ্যালারির টিকিট কিনিল-থিয়েটার ভাঙিলে অনেক রাত্রিতে ফিরিবার পথে অপ বলিল-কি হবে বাকী রাতটুকু ঘািময়ে ; আজ বসে গল্প ক’রে রাত কাটাই । কণাওয়ালিশ সেকোয়ারের কাছে আসিয়া অপ, ধন্ধর হাত ধরিয়া রেলিং টপকাইয়া স্কোয়ারের ভিতর ঢুকিয়া পড়িল-আয় আয়, এই বেশ্চিটাতে বসি, আমি নিমচাঁদের পার্ট প্লে করব, দেখােব

  • প্রণব হাসিয়া বলিল-তোর মাথা খারাপ আছে—এত রাত্রে বেশী চোঁচাস নি-পলিস এসে তাড়িয়ে দেবে-কিন্তু খানিকটা পর প্রণবও মাতিয়া উঠিল । দ’জনে হাসিয়া আবোল-তাবোল বকিয়া আরও ঘন্টাখানেক কাটাইল। অপ একটা বেঞ্চির উপরে গড়াগড়ি দিতেছিল ও মাখে নিমচাঁদের অন্যাকরণে ইংরাজি কি কবিতা আবৃত্তি করিতেছিল-প্ৰণবের ভগ্নসচক সম্বরে উঠিয়া বসিয়া চাহিয়া দেখিল ফুটপাথের উপর একজন পাহারাওয়ালা । অমনি সে বেণ্যের উপর দাঁড়াইয়া চীৎকার assist first sissi-Hail, Holy Light ! Heaven's First born - পরে দ’জনেই ডাফ সন্ত্রীটের দিকের রেলিং টপকাইয়া সোজা দৌড় দিল ।

রাত্রি আর বেশী নাই । আমহামটি সন্ত্রীটের একটা বড় লাল বাড়ীর পৈঠায় অপ, গিয়া বসিয়া পড়িয়া বলিল-কোথার আর যাবো-আয় বোস এখানে প্রণব খলিল-একটা গান ধর তবেঅপ বািলল-বাড়ির লোকে দোর খালে বেরিয়ে আসবে।-কোন রকমে পলিসের হাত থেকে বেচে গিয়েছি -rsary PI3KretargTCks (Sisa Kalafia-Hail, Holy Light ?- হি-হি-টেরও পায় নি ? কোথা দিয়ে পালালাম-নিমচাঁদের মত হয় নি ?--হি- f表ー প্রণব বলিল-তোর মাথায় ছিট আছে-যাঃ সারা রাতটা ঘাম হ’ল না তোর পাল্লায় পড়ে -গা একটা গানই গা-অস্তে আস্তে ধার-আবার হাসে, যাঃ ইহার দিন-পনেরো পরে একদিন প্রণব আসিয়া বলিল-তোকে নিয়ে যাব বলে লাম-আমার মামাতো বোনের বিয়ে হবে সোমবারে, শক্রবার রান্ত্রে আমরা যাব, খলনা থেকে স্টীমারে যেতে হয়, অনেকদিন কোথাও যাস নি, চল আমার সঙ্গে, দিন চার-পাঁচের ছটি পাবি নে ? ছটি মিলিল। ট্রেনে উঠিবার সময় তাহারা ভারি আনন্দ । অনেকদিন কলিকাতা ছাড়িয়া যায় নাই, অনেকদিন রেলেও চড়ে নাই । সকালবেলা সন্টীমারে উঠবার সময় ভৈরবের ওপার হইতে তরণে সন্যে ওঠার দশ্যটা তাহাকে মঞ্চ করিল। নদী খাব বড় ও চওড়া, স্টীমার প্রণবের মামার বাড়ির ঘাটে ধরে না, NSO