প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১৫৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


अनब्राक्ऊि S&& অপবর্গ ঘনিষ্ঠ পরিচয়• • •তাহার মাথার মধ্যে কেমন যেন করিতেছে, মদ খাইলে বোধ হয় এরকম নেশা হয়- ** ঘদের হাওয়া যেন• • • ঘরের মধ্যে যেন আর থকা যায়। না।--বেজায় গরম । সে বলিল-এবাঁটু বাইরের ছাদে বেড়িয়ে আসি, খােব গরম না ? আসছি এখনি বৈশাখের জোৎস্না রাত্ৰি-রাত্রি বেশী হইলেও বাড়ির লোক এখনও ঘােমায় নাই” সােল এখানে বৌভাত হইবে, নিচে তাহারই উদ্যোগ আয়োজন চলিতেছে । দালানের পাশে বড় রোয়াকে বিয়েরা কচুর শাক কুটিতেছে, রাঙ্কা-কোঠার পিছনে নতুন খড়ের চালা বাঁধা হইয়াছে, সেখানে এত রাত্ৰে পানতুম্বা ভয়ান হইতেছে--সে ছাদের আলিসার ধারে দাঁড়াইয়া দেখিল । ছাদে কেহ নাই, দারের নদীর দিক হইতে একটা ঝিরঝরে হাওয়া বাহিতেছে । দশদিন যে কি ঘটিয়াছে তাহা যেন সে ভাল ফরিয়া ব্যঝিতেই পারে নাই। --আজি ববিয়াছে। কয়েকদিন পাবেও সে ছিল সহায়শন্য, বন্ধ শস্য, গহশানা, আত্মীয়শান্য. জগতে সক্ষপণ একাকী, মাখের দিকে চাহিবার ছিল না কেহই । কিন্তু আজ তো তাহা নয়, আজ ওই মেয়েটি যে কোথা হই৩ে আসিয়া পাশে দাঁড়াইয়াছে, মনে হইতেছে যেন ও জীবনের পরম বন্ধ । মা এ-সময় কোথায় ? --মায়ের যে বড় সাধ ছিল ‘মনসাপোতার বাড়িতে শ, ইয়া শ, ইয়া কত রাত্রে সে-সব কত সাধ, কত আশার গল্প-মায়ের সোনার দেহ কোদালাতীরের শশানে চিতাগ্নিতে পড়বার রাত্ৰি হইতে সে আশা-আকাঙ্ক্ষার তো সমাধি হইয়াছিল ‘মাকে বাদ দিয়া জীবনের কোন উৎসব*** তপ্ত আকুল চোখের জলে চারিদিক ঝাপসা হইয়া আসিল । বৈশাখী শব্লকা দ্বাদশী রাত্রির জ্যোৎস্না যেন তাহার পরলোকগাঁও দঃখিনী মায়ের আশাবাদের মত তাহার বিভ্ৰান্ত হৃদয়কে দপশ করিয়া সরল শত্ৰ মহিমায় সবগ হইতে ঝরিয়া পড়িতেছে । অপরাজিত 丐t帝叶外甸乙丐而 কলিকাতার কম কঠোর, কোলাহল-মাখের, ব্যাপ্তব জগতে প্রত্যাবর্তন করিয়া গ৩ কয়েকদিনের জীবনকে নিতান্ত স্বপ্ন বলিয়া মনে হইল অপাের। একথা কি সত্য -গত শক্লিাবার বৈশাখী পণিমার শেষরাত্রে সে অনেক দারের নদীতীরবতা এক অজানা গ্রামের অজানা গহস্থবাটীর রােপস মেয়েকে বলিয়াছিল- আমি এ বছর যদি আর না আসি অপণা ?-- প্রথমবার মেয়েটি একটু হাসিয়া মািখ নিচু করিয়াছিল, কথা বলে নাই । অপ, আবার বলিয়াছিল—“চুপ ক’রে থাকলে হবে না, তুমি যদি বলো আসিব, নৈলে আসিব না, সত্যি অপণা । বিলো কি বলবে ?