প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


'অপরাজিত పి সংসারে থাকতে গেলে সবই - “তাই উনি বললেন-আমি বললাম আসনে তাঁরা -চক্কতি মশায় পজা-আচ্চা করেন-তা। উনি মেয়েজামাই মারা যাওয়ার পর থেকে বড় থাকেন না । গাঁয়ে একঘর বামন নেই-কম্ভকমে সেই গোয়াড়ী দৌড়তে হয়-থাকলে ভালো ! বীরভূম না বাঁকড়ো জেলা থেকে সেবার এল কি চাটুষ্যে । কি নামটা রে পাঁচী ? বললে বাস করবো। বাড়ি থেকে চালডাল সিধে পাঠিয়ে দিই। তিন মাস রইল, বলে আজ ছেলেপিলে আনক-কাল ছেলেপিলে আনিব-ও মা এক মাগী গোয়ালার মেয়ে উঠোন ঝাঁট দিত। আমাদের, তা বলি বামন মানষে এসেছে, ও’রও কাজটা করে দিস ঘোষার কথা শোনো মা, আর বছর শিবরান্ত্রির দিন-তাকে নিয়ে- 疯 বউ-দটি ও মেয়েরা খিলখিল করিয়! হাসিয়া উঠিল । সর্বজয়া অবাক হইয়া, বলিল, পালালো নাকি ? -পালালো কি এমন তেমন পালালো মা ? সেই সঙ্গে আমাদের এক প্রস্ত বাসন । কিছই জানি নে মা, সব নিজের ঘর থেকে-বলি আহা বামন এসেচে, --সরক, আছে বাড়তি । তা সেই বাসন সবসমৃদ্ধ নিয়ে দ’জনে নিউদ্দিশ ! যাক সে সব কথা মা, উঠি তাহলে আজ ! রান্নার কি আছে না-আছে বলো মা, সব দিই বন্দোবন্ত করে । আট-দশ দিন কাটিয়া গেল ; সব জঞ্জা ঘরবাড়ি মনের মত করিয়া সাজাইয়াছে। দেওয়াল উঠান নিকাইয়া পাছিয়া লইয়াছে । নিজস্ব ঘরদের অনেকদিন ছিল না, নিশ্চিন্দিপাের ছাড়িয়া অবধিই নাই-এতদিন পরে একটা সংসারের সমস্ত ভার হাতে পাই:T পে গত চার বৎসরের সণ্ডিত সাধ মিটাইতে ব্যস্ত হুইয়া পড়িল । জ্যাঠামশায় লোক মন্দ নহেন বটে, কিন্তু, শীঘ্রই সর্বজয়া দেখিল তিনি একটি বেশী কৃপণ । ক্ৰমে ইহাও বোঝা গেল।--তিনি সে নিছক পরার্থপরতার ঝে কেই ইহাদের এখানে অনিয়াছেন তাহা নহে, অনেকটা আনিয়াছেন নিজের গরজে । তেলিদের প্রতিষ্ঠিত ঠাকুৰ্সটি পজা না করিলে সংসার ভাল রিপে চলে না, তাহাদের বাষিক ধত্তিও বন্ধ হইয়া যায় । এই বাষিক বন্দ্রি সম্পািল করিয়াই তিনি কাশী থাকেন । পাকা লোক, অনেক ভাবিধা-চিন্তিয়া তবে তিনি ইহাদের আনিয়া তুলিয়াছেন । সবজিয়াকে প্রা:াই বলেন। --জয়া, তোর ছেলেকে বল কাজকম সব দেখে নিতে । আমার মেয়াদ আর কতদিন ? ওদের বাড়ির কাজটা দিক না আরম্পভ করে---সিধের চালেই তো মােস চলে যাবে। ” সব জঞ্জা তাহাতে খাব খাশী । সকলের তাগিদে শীঘ্রই অপ, পাজার কাজ আরম্ভ }রল-দটি qकत्रे করিয়া কাজকম আরম্ভ হইতে হইতে ক্লামে এপাড়ায় ওপাড়ায় অনেক বাড়ি হইতেই লক্ষীপজায় মাকালাপজায় তাহার ডাক আসে । অপর মহা উৎসাহে প্ৰাতসন্যোন করিয়া উপনয়নের চেলীর কাপড় পরিয়া নিজের টিনের বাক্সের বাংলা নিত্যকমপদ্ধতিখানা হাতে লইয়া পাজা করিতে যায় । পজা করিতে বসিয়া আনাড়ীর