প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১৭০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অপরাজিত । ত্ৰয়োদশ পরিচ্ছেদ ইউনিভাসিটি ইনস্টিটিউটে সৰ্ব্বাস্থ্য প্রদর্শনী উপলক্ষে খাব ভিড় । অপর অনেক দিন হইতে ইনস্টিটিউটের সভ্য, তাহদের জনকয়েকের উপর শিশমঙ্গল ও খাদ্য, বিভাগের তত্তবাবধানের ভার আছে। দােপর হইতে সে এই কাজে লাগিয়া আছে । মন্মথ বি-এ পাস করিয়া এটনির আর্টিকলঙ ক্লাক হইয়াছে । তাহার সািহত একদিন ইনস্টিটিউটের বসিধার ঘরে ঘোর তক" । অপর দািঢ় বিশবসি-যন্ধের পর ভারতবষী স্বাধীনতা পাইবে । বিলাতে লয়েড জজ বলিয়াছেন, যন্ধশেষে ভারতবিষকে আমরা আর পদানত করিয়া রাখিব লা। ভারতকে দিয়া আর ক্লান্তদাসের -ER (sist asceti,(4 it Indians must not remain as hew's of wood and drawers of water. এই সময়েই একদিন ইনস্টিটিউটের লাইব্রেরিতে কাগঞ্জ খলিয়া একটা সংবাদ দেখিয়া সে অবাক হইয়া গেল । জোয়ান অব আক কে রোমান ক্যাথলিক যাজক-- শক্তি তাঁহাদের ধর্ম সম্প্রদায়ের সাধার তালিকাভুণ্ড করিয়াছেন । তাঁর শৈশবের আনন্দ-মহাতের সঙ্গিনী সেই পল্লীবালিকা জোয়ান-ইছামতীর ধারে শান্ত বাবলা-ধনের ছায়ায় বসিয়া শৈশবের সে সর্বপ্নভরা দিনগলিতে যাহার সঙ্গে প্রথম পরিচয়! ইহার পর সে একদিন সিনেমাতে জোয়ান অব অ্যাকের বাৎসরিক সমিতি-উৎসব দেখিল । ডমরেমির নিভৃত পল্লীপ্রান্তে ফ্লাসের সকল প্রদেশ হইতে লোকজন জড়ো হইয়াছে —পথিবীর বিভিন্ন স্থান হইতে কত নরনারী আসিয়াছে, ***সামরিক পোশাকে সন্ডিাজ ৩ ফরাসী সৈনিক কমচারীর দল---সবসন্ধে মিলিয়া এক মাইল দীঘ বিরাট শোভাযাত্রা • • •জোয়ানের সঙ্গে তার নাড়ীর কি যেন যোগ --জোয়ানের সম্পমানে তার নিজের বািক ফোন গবে ফুলিয়া উঠিতেছিল- ‘শৈশবের সাবপ্নের সোঁ-মোহ অপৰ এখনও কাটাইয়া উঠিতে পারে নাই । বড় হইয়া অবধি সে এই মেয়েটিকে কি শ্রদ্ধার চোখে ভক্তির চোখে দেখিয়া আসিয়াছে এতদিন, সে-কথা জানিত এক অনিল—নতুবা কল্পনা যাহাঁদের পঙ্গমন মিনমিনে, পান সে-তােহাঁদের কাছে সে-কথা তুলিয়া, লাভ কি ? কলেজে পড়বার সময় সে বড় ইতিহাসে জোয়ানের বি3ত বিবরণ পড়িয়াছে—অতীত শতাব্দীর সেই অঞ্চনঝ নিৰ্গঠন রতা, ধর্মম৩ের গোঁড়ামি, খাটিতে বধিয়া হৃদয়হীন দাহনসন্যদেবের রথচক্লের দ্রুত আবর্তনে অসীম আকাশে যেমন দােপর হয় বৈকাল, বৈকাল হয়। রাত্রি, রাত্রি হয় প্রভাত-মহাকালের রথচক্রের আঘাত'নে এক শতাব্দীর অন্ধকারপঞ্জে তেমনি পরের শতাব্দীতে দারীভূত হইয়া যাইতেছে। সত্যের শাকতারা একদিন যে প্রকাশ হইবেই, জীবনের দঃখদৈনের অন্ধকার শািন্ধ যে প্রভাতেরই অগ্রদত্ত-কল-কাকলিময়, ফুল-ফোটা অমিত-বরা প্রভাত । অন; মনসাক মনে সিড়ি দিয়া নামিয়া সে খাদ্য-বিভাগের ঘরে ঢুকিতে যাইতেছে, কে তাহাকে ডাবিল। ফিরিয়া চাহিয়া দেখিয়া প্রথমটা চিনিতে পারিল,