প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১৯৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


పాషా অপরাজিত: করিল-ওসব কথা ভাবিয়া তো তাহদের ঘােম নাই। মেসে বরদাবাবর উপর তাহার শ্রদ্ধা ছিল, তাঁহার কাছেও একদিন কথাটা পাড়িল । বরদাবাব তাহাকে মামল সাম্পাদনার কথা বলিয়া কতব্য সমাপন করলেন । একদিন পল ও ভাজি নিয়ার গল্প পড়িতে পড়িতে দেখিল মাতৃত্যুর পর ভাজি নিয়া প্রণয়ী পলকে দেখা দিয়াছিল--হতাশ মান এবঢুকু সবেই ব্যগ্র আগ্রহে অাঁকড়াইয়া ধরিতে ব্যস্ত হইয়া উঠিল । তবও তো এতটুকু আলো!-সে অফিসে মেসে, বাসায় যে সব লোকের সঙ্গে কারবার করে-৩াহারা নিতান্ত মামলী ধরণের সাংসারিক জীব- অপাের প্রশ্ন শনিয়া তাহারা আড়ালে হাসে, চোখ টেপাটেপি করে-কুরণার হাসি হাসে । এইটাই অপ বরদাপ্ত করিতে পারে না আদৌ। একদিন একজন সন্ন্যাসীর সন্ধান পাইকা দরমােহাটার এক গলিতে তাঁহার কাছে সকালের দিকে গেল । লোকের খািব ভিড়, কেহ দশনপ্রাথী, কেহ ঔষধ লাইতে আসিয়াছে। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করিবার পর অপর ডাক পড়িল । সন্ন্যাসী গেরিয়াধরী নহেন, সাদা ধতি পরনে, গায়ে হাত-কাটা বেনিয়ান, জলচৌকির উপর আসন পাতিয়া বসিয়া আছেন । অপর প্রশ্ন শনিয়া গম্ভীরভাবে বলি লেন--আপনার সত্ৰী কতদিন মারা গেছেন ? মােস দই ?– তাঁর পানজন্ম হয়ে গিয়েছে। অপর অবাক হইয়া জিজ্ঞাসা করিল – কি ক’রে আপনি ー電エー সন্ন্যাসীজনী বলিলেন-মহত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই হয় । এতদিন থাকে না।-- আপনাকে বলে দিচ্ছি, বিশ্ববাস করতে হয়। এসব কথা । ইংরেজি পড়ে আপনার তো। এ সব মানেন না ! তাই হতে হবে । অপর একথা আদৌ বিশবাসী হইল না । অপর্ণা তাহার অপণা আর মাস আট-নয় পরে অন্য দেশে কোন গহন্থের ঘরে সব ভুলিয়া ছোট খাকী হইয়া জন্মিবে ?" - "এত স্নেহ, এত প্রেম, এত মমতা- এসব ভুয়োবাজী ? অসম্পভব !• • • সারারাত কিন্তু এই চিন্তায় সে ছটফট করিতে লাগিল—একবার ভাবে, হয়ত সন্ন্যাসী ঠিকই বলিয়াছেন- কিন্তু তার মন সায় দেয় না, মন বলে, ও-কথাই নয়-মিথ্যা; মিথ্যা, মিথ্যা • • • স্বয়ং পিতামহ ব্ৰহ্মা আসিয়া বলিলেও সে-কথা বিশ্ববাস করিবে না। দঃখের মধ্যে হাসিও পাইল । ভাবিল অপর্ণার পানজন্ম হয়ে গেছে, ওর কাছে টেলিগ্রাম এসেছে ! হামবাগ কোথাকার-দ্যাখ না কাপড় ! এত ভয়ানক সঙ্গীহীনতার ভাব গত দশ-এগারো মাস তাহার হয় নাই । পিটুৱা চলিয়া যাওয়ার পর বাসাও ভালো লাগে না, অপর্ণার সঙ্গে বাসাটা এতখানি জড়ানো যে, আর সেখানে থাকা অসম্প্ৰভধ হইয়া উঠিল । তদপাঁর বিপদ, গাঙ্গালী-গন্নী তাঁহার কোন বোনঝির সঙ্গে তাহার বিবাহের যোগাযোগের জন্য একেবারে উঠিয়া পড়িয়া লাগিয়াছেন । তাহাকে এক একটু বসিতে দেখিলে সংসারের অসারত্ব, কথিত বোনবিটির রূপগণ, সম্পম খের মাঘ মাসে মেয়েটিকে একবার দেখিয়া আসিদ্ধার প্রস্তাব, নানা বাজে কথা । নিজ রধিয়া খাওয়ার ব্যবস্থা-অবশ্য ইতিপবে সে বরাবরই রধিয়া খাইয়া আসিয়াছে বটে, কিন্তু এবার যেন রধিতে গিয়া কাহার উপর একটা সতীব্ৰ