প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/২২৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


RS অপরাজিত জন্য জোরে জোরে পড়িল বিজমস গ্যাহ কসে ন-পোশদ মজার-ইমা-রা। কি কবর পোষ-ই-গরীবান হামিন মীগ্যাহ বাস অস্ত । পরে সে কবি আমীর খসরুর কবরের উপরও ফুল ছড়াইল । পরদিন বৈকালে শাহজাহানের লাল পাথরের কেল্লা দেখিতে গিয়া অপরাহ্রের ধন্সর ছায়ায় দেওয়ান-ই-খাসের পাশের খোলা ছাদে একখানা পাথরের বুেঞ্চিত বহঙ্গক্ষণ বসিয়া রহিল । মনে হইল এসব স্থানের জীবনধারার কাহিনী কেহ। লিখিতে পারে নাই । গলেপ, উপন্যাসে, নাটকে কবিতায় যাহা পড়িয়ছে, সে সবটাই কল্পনা, বাস্তাবের সঙ্গে তাহার কোন সম্পক' নাই। সে জেবাউন্নিসা, সে উদিপত্রী বেগম, সে মমতাজমহল, সে জাহানার-আবাল্য যাহাদের সঙ্গে পরিচয়, সবগলিই কল্পনা-সম্মিট প্রাণী, বাস্তব জগতের মমতাজ বেগম, উদিপারী, জেবউন্নসা হইতে সক্ষপণ পথিক ! কে জানে এখানকার সে সব রহস্যভরা ইতিহাস ? মােক যমােনা তাহার সাক্ষী আছে, গাহভিত্তির প্রতি পাষাণ খ’ড তার সাক্ষী আছে, কিন্তু তাহারা তো কথা বলতে পারে না ! তিনদিন পর সে বৈকালের দিকে কাটনী লাইনের একটা ছোট্ট সেন্টশনে নিজের বিছানা ও সটকে সটা লইয়া নামিয়া পড়িল । হাতে পয়সা বেশী ছিল। না বলিয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেনে এলাহাবাদ, আসিতে বাধ্য হয়-তাই এত দেরি । কয়দিন স্নান নাই, চল রক্ষে উপক-খচক- জোর পশ্চিমা বাতাসে ঠোঁট শকাই, 帘爪豆1 V ট্রেন ছাড়িয়া চলিয়া গেল । ক্ষদ্র সেন্টশন, সম্পমখে একটা ছোট পাহাড় । দোকান-বাজারও চোখে পড়িল না । সেন্টশনের বাহিরের বাঁধানো চাতালে একটু নিজন স্থানে সে বিছানার বা"িডেলটা খালিয়া পাতিল । কিছুই ঠিক নাই, কোথায় যাইবে, কোথায় শাইবে, মনে এক অপােব অজানা আনন্দ । সতরঞ্চির উপর বসিয়া সে খাতা খালিয়া খানিকটা লিখিল, পয়ে একটা সিগারেট খাইয়া সটকে সটা ঠেস দিয়া চুপচাপ বসিয়া রহিল । টোকা মাথায় একজন গোঁড় যােবককে কাঁচা শালপাতার পাইপ খাইতে খাইতে কৌতমহলী চোখের কাছে আসিয়া দড়িাইতে দেখিয়া অপ বলল, উমেরিয়া হিয়াসে কোত্তা দর হোগা ? প্রথমবার লোকটা কথা বঝিল না । দ্বিতীয়বারে ভাঙ্গা হিন্দীতে বলিল, তিশ মীলা । ত্ৰিশ মাইল রাস্তা ! এখন সে যায় কিসে ? মহামশকিল ! জিজ্ঞাসা করিয়া জানিল, ত্ৰিশ মাইল পথের দাধারে শােধ বন আর পাহাড় । কথাটা শনিয়া অপর ভারি আনন্দ হইল। বন, কি রকম বন ? খাব ঘন ? বাঘ পর্যন্ত আছে : বাঃ-কিন্তু এখন কি করিয়া যাওয়া যায় ? কথায় কথায় গেড়ি লোকটি বলিল, তিন টাকা পাইলে সে নিজের ঘোড়াটা,