প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/২৩০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


$నిo urinforp. छल-७को gथुन थालि °{Aछ आtछ किना । SSYg DLDY BBD DD D BD D BB BDDD BDD BB নেই ? 却 অবনীবাব বললেন, আমার এক বন্ধ খরিয়ার পাহাড়ে তামার খনির জন্যে প্রসপেক্টিং করছেন-মিঃ রায়চৌধরিী, জিওলজিসট, বিলোতে ছিলেন অনেকদিন-তিনি ঐখানে তাঁবতে আছেন-মাঝে মাঝে তিনি আসেন। . . অলপ দিনেই ইহাদের সঙ্গে কেমন একটা সহজ মধর সম্বন্ধ গড়িয়া উঠিল-- যাহা কেবল এই সত্ত্ব স্থানে, এই সব অবস্থাতেই সম্ভব, কৃত্রিম সামাজিকতার হািমকি এখানে মানষের সঙ্গে মানষের স্বাভাবিক বন্ধত্বের দাবিকে ঘাড় গজিয়া থাকিতে বাধ্য করে না বলিয়াই ; একদিন বসিয়া বসিয়া সে খেয়ালের বশে কাগজে একটা কথকতার পালা লিখিয়া ফেলিল । সেদিন সকালে চা খাইবার সময় বলল, দিদি, আজ ও-বেলা আপনাদের একটা নতুন জিনিস শোনাব। " অবনীবাবার সন্ত্রীকে সে দিদি বলিতে শহর করিয়াছে । তিনি সাগ্রহে বললেন, কি, কি বলন না ? আপনি গান জানেন-না ? আমি অনেকদিন ওকে বলেছি আপনি গান জানেন । - গানও গাইব, কিন্তু একটা কথকতার পালা শোনাব, আমার বাবার মাখে। শোনা জড়ভরতের উপাখ্যান । দিদির মািখ আনন্দে উত্তজবল হইয়া উঠিল । তিনি হাসিয়া সবামীকে কহিলেন, দেখলে গো-দাখ । বলি নি আমি, গলার সম্বর অমন, নিশ্চয়ই গান জানেনখাটল না কথা ? দপারবেলা দিদি তাহাকে তাস খেলার জন্য পীড়াপীড়ি শহর করিলেন। --লেখা এখন থাকা । তাস জোড়াটা না খেলে খেলে পোকায় কেটে দিলে-এখানে খেলার লোক মেলে না-যখন ও’র বন্ধঃ মিঃ রায়চৌধরিী আসেন। তখন মাঝে মাঝে খেলা হয়-আসন আপনি । উনি, আর আপনি --আর একজন ? --আর কোথায় ? আমি আর আপনি বসব-উনি একা দহাত নিয়ে ଘୁଟିଂ ! LDLL DL DBBB BBBLBLDL D BDB DLHDODDT DDS S DgODBDDB বাল্যজীবনের কারণ কাহিনী নিজেরই শৈশব-সমতির ছায়াপাতে সত্য ও পত হইয়া উঠে, কাশীর দশাশ্যবমেধ ঘাটে বাবার গলায় সম্বর কেমন করিয়া অলক্ষিতে তাহার গলায় আসে- শালবনের পত্র মামার, নৈশ পাখির গানের মধ্যে রাজর্ষি ভারতের সরল বৈরাগ্য ও নিসিপািহ আনন্দ যেন প্রতি সারমছনাকে একটি অতি পবিত্র মহিমাময় রূপ দিয়া দিল । কথকতা থামিলে সকলেই চুপ করিয়া রহিল। অপা খানিকটা পর হাসিয়া বলিল- কেমন লাগল ? অবনীবাবদ এবটু ধৰ্ম প্ৰাণ লোক, তাঁহার খবই ভাল লাগিয়াছো-কথকতা দী-একবার শনিয়াছেন বটে, কিন্তু এ কি জিনিস ! ইহার কাছে সে সব লাগে না । কিন্তু সকলের চেয়ে মগধ হইলেন অবনীবাবার সন্ত্রী । জ্যোৎস্নার আলোতে