প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/২৫৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


SR6t# , - vurmars ऊष्ठान हुन किछटउदै क्राछ श्दैठद मा । আঁর একদিন সেখানে সে কি অদ্ভুত শিক্ষাই না পাইয়াছিল। ১. ঘোড়া করিয়াঃ বেড়াইতেছিল। এক জায়গায় বনের ধারে ঝোপের মধ্যে অনেক লতাগাছে গা লাকাইয়া একটা তেলাকুচা গাছ। তেলাকুচা বাংলার ফুলঅপবিচিত মহলে একমাত্র পরিচিত বন্ধ, সেখানে দাঁড়াইয়া গাছটাকে দেখিতে বড় ভাল লাগিয়েছিল।--তেলাকুচা লতার পাতাগলা সব শকাইয়া গিয়াছে, কেবল অগ্রভাগে বুলিতেছিল একটা আধা-পাকা ফল। তারপর দিনের পর, দিন সে ঐ লতাটার মাতৃ-যন্ত্রণা লক্ষ্য করিয়াছে। ফুলটা যতই পাকিয়া উঠিতেন্থে, বোঁটার গোড়ায় যে অংশ সবজি ছিল, সেটুকু যতই রাঙা সিদরের রং হইয়া উঠিতেছে, BBD DBD DDB DDB DBDB Bt BD kDBDDD DBBBu S একদিন দেখিল, গাছটা সব শকাইয়া গিয়াছে, ফলাটাও বোঁটা শকাইয়া গাছে বুলিতেছে, তুলতুলে পাকা, সিন্দরের মত টুকটুকে রাঙা-যে কোন পাখি, বনের DBBD D BDDDDDB BDuDu BBBD D BBB S B DD BD D S কোটি মাইল দারের সন্য হইতে তাপ সংগ্ৰহ করিয়া, চারিপাশের বায়মণ্ডল হইতে উপাদান লইয়া মতে, জড়পদার্থ হইতে এ উপাদেয় খাবার তৈয়ারী করিয়াহিল, তাহার জীবনের উদ্দেশ্য শেষ হইয়া গিয়াছে -ঐ পাকা টুকটুকে ফলাটাই তাহার জীবনের চরম পরিণতি । ফলটা পাখিতে কাঠবেড়ালীতে খাইবে, এজন্য গাছটাকে তাহারা ধন্যবাদ দিবে না ; তেলাকুচা লতাটা অজ্ঞাত, অখ্যাতই থাকিয়া যাইবে । তবও জীবন তাহার সার্থক হইয়াছে।--ঐ টুকটুকে ফলাটাতে ওর জীবন সাথক DBBBBBYSS D YDzY BB DDD DBBBD DBDDB DDS DSDuDB D পড়িয়া আরও কত তেলাকুচার জন্ম ঘোষণা করিবে, আরও কত লতা কত ফুলফল, কত পাখির আহায্য ! মন তখন ছিল অদ্ভুত রকমের তাজা, সবল, গ্রহণশীল, সহজ আনন্দময় । তেলাকুচা-লতার এই ঘটনাটা তাহার মনে বড় ধাক্কা দিয়াছিল-সে কি ঐ সামান্য বন-ঝোপের তেলাকুচা-লতাটার চেয়েও হীন হইবে ? তাহার জীবনের কি উদ্দেশ্য নাই ? সে জগতে কি কিছু দিবে না ? VN সেখানে কতদিন শালবনের ছায়ায় পাথরের উপর বসিয়া দাপরে এ প্রশ্ন মনে জাগিয়াছে।” “কত নিস্তবধ তারা ভরা রাত্রে গভীর বিস্ময়ের দন্টিতে তাঁবর বাহিরের ঘন নৈশ অধিকারের দিকে চাহিয়া চাহিয়া এই সব সর্বপ্নই মনে জাগিত । বহ দারদের ভবিষ্যতের শিরীষফলের পাপড়ির মত নরম ও কাঁচ মািখ কত শত অনাগত বংশধরদের কথা মনে পড়িত, খোকার মাখখােনা কি অপােব প্রেরণা দিত সে সময় - ওদেরও জীবনে কত দঃখরাত্রের বিপদ আসিবে, কত সন্ধ্যার অন্ধকার ঘনাইবে-তখন যােগাস্তুের এপার হইতে দঢ়হস্ত বাড়াইয়াদিতে হইবে তোমাকেতোমার কত শত বিনিদ্র রজনীর মৌন জনসেবা, হে বিস্মত পথের মহা পথিক, একদিন সাৰ্থক হইবে-অপরের জীবনে । x. দঃখের নিশীথে তাহার প্রাণের আকাশে সত্যের যে নক্ষত্ররাজি উপেজল হইয়া ফুটিয়াছে।--তা সে লিপিবদ্ধ করিয়া রাখিয়া যাইবে, জীবনকে সে কি ভাবে দেখিল