প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/২৮০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Ryo vo কাজলের মধ্যে অপর একটা পথক জগৎ দেখিতে পায়। দটা টিনের চাকতি, গোটা দই মাবেল, একটা কল-টেপা খেলনা, মোটর গাড়ি, খান দই বই-হুইতে যে মানষে কিসে ঐত আনন্দ পায়-অপ, তাহা বর্ণিঝতে পারে না। চঞ্চল ও দন্ট । ছেলে-পাছে হারাইয়া যায়, এই ভয়ে অপাের তাহাকে মাঝে মাঝে ঘরে চাবি দিয়া রাখিয়া নিজের কাজে বাহির হইয়া যায়—এক একদিন চার-পাঁচ ঘণ্টাও হইয়া যায়কাজলের কোনো অসংবিধা নেই- সে রাস্তার ধারের জানালাটায় দাঁড়াইয়া পথের লোকজন দেখিতেছে-না হয়, বাবার বইগলো নাড়িয়া চড়িয়া ছবি দেখিতেছেমোটের উপর आननई टाitछ । 多 এই বিরাট নগরীর জীবনস্রোত কাজলের কাছে অজানা দিবোধ্য। কিন্তু তাহার নবীন মন ও নবীন চক্ষ যে-সকল জিনিস দেখে ও দেখিয়া আনন্দ পায় - বয়স্ক লোকের ক্লান্ত দণ্টিতে তাহা অতি তুচ্ছ । হয়তো আঙল দিয়া দেখাইয়া বলে - দ্যাখো বাবা, ওই চিলটা একটা কিসের ডাল মাখে ক'রে নিয়ে যাচ্ছিল, সামনের ছাদের আলসেতে লেগে ডালটা-ওই দ্যাখো বাবা রাস্তায় পড়ে গিয়ে চে--- বাবার সঙ্গে বেড়াইতে বাহির হইয়া এত ট্রাম, মোটর, লোকজনের ভিড়ের মাকখানে কোথায় একটা কাক ফুটপাতের ধারে ড্রেনের জলে স্নান করিতেছে তাই দেখিয়া তাহার মহা আনন্দ - তাহা আবার বাবাকে না দেখাইলে কাজলের মনে তৃপ্তি হইবে না । সব বিষয়েই বাবাকে আনন্দের ভাগ না দিতে পারিলে, কাজলের আনন্দ পণ্য হয় না। খাইতে খাইতে বেগনিটা, কি তেলে-ভাজা কচুরিখানা এক কামড় খাইয়া ভাল লাগিলে বাকী আধখানা বাবার মাখে গজিয়া দিবে-অপও তাহা তখনি খাইয়া ফেলো-ছিঃ, আমার মাখে দিতে নেই-একথা বলিতে তার প্রাণ কেমন করে-কাজেই পিতৃত্বের গাম্ভীর্ষভরা ব্যবধান অকারণে গড়িয়া উঠিয়া পিতাপাত্রের সহজ সরল মৈত্রীকে বাধাদান করে নাই, কাজল জীবনে বাবার মত সহচর পায় নাই-এবং অপও বোধ হয় কাজলের মত বিশ্ববস্ত ও একান্ত নিভরশীল। তরণ বন্ধ খাব বেশী পায় নাই জীবনে । আর কি সরলতা !***পথে হয়ত দলজনে বেড়াইতে বাহির হইয়াছে, কাজল বলিল --শোনো বাবা, একটা কথা-শোনো, চুপি চাপি বলব-পরে পথের এদিক ওদিক চাহিয়া লাজক মাখে কানে কানে বলে- ঠাকুর বড় দটোখানি ভাত দ্যায় হোটেলে -আমার খেয়ে পেট ভরে না।--তুমি বলবে বাবা ? বললে আর দটো দেবে না ? দিনকতক গলির একটা হোটেলে পিতাপত্রে দজনে খান্ন-হোটেলের ঠাকুর হয়ত শহরের ছেলেীয় হিসেবে ভাত দেয় কাজলকে-কিন্তু পাড়াগাঁয়ের ছেলে কাজল বয়সের অন্যপাতে দটি বেশী ভােতই খাইয়া থাকে । mN অপৰ মনে মনে হাসিয়া ভাবে-এই কথা আবার কানে কানো বলা • • •রান্ডার মধ্যে ওকে চেনেই বা কে আয় শািনছেই বা কে "ছেলেটা কেজোয় বোকা । আর একদিন কাজল লাজক মাখে বলিল-বাবা একটা কথা বলব ?••• -iss p -भाई दावा-वशद भा-কািল না কি ?