প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৩০০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কত কথাই মনে হইতেছে এই কয়দিনে-পাশের বাড়ির বড়িয্যে-গাঁহিণী কাজলকে বড় ভালবাসে সেখানেই তাহাকে রাখিয়া আসিয়াছে । কখনও মনে হইতেছে, কাজল লম্ব দলছু ছেলে, হয়ত গলির মোড়ে দাঁড়াইয়া ছিল, কোনও বদমাইস লোকে ভুলাইয়া কোথায় লইয়া গিয়াছে কিংবা হয়ত চুপি চুপি বাড়ি হইতে বাহির হইয়া রাপ্তা পার হইতে যাইতেছিল, মোটর চাপা পড়িয়াছে । কিন্তু তাহা হইলে কি বািড়য্যেরা একটা তার কারিত না ? হয়ত তার করিয়াছিল, ভুল ঠিকানায় গিয়া পৌছিয়াছে ; উহাদের আলিসাবিহীন নেড়া ছাদে ঘড়ি উড়াইতে উঠিয়া পড়িয়া যায় নাই তো ? কিন্তু কাজল তো কখনও ঘড়ি ওড়ায় DDS SBDDD DBDDi S D BDBYB DBKSsBBB BBD D S DYYuL উড়াইতে যায় নাই, তবে হয়ত বাঁড়িয্যে-বাড়ির ছেলেদের দলে মিশিয়া উঠিয়ছিল, আশ্চৰ্য কি ! - আর্টিন্ট বন্ধর কথার উত্তরে সে খানিকটা আগে বলিয়াছিল - সে জাভা, বালি, সন্মাত্রা দেখিবে, প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপপঞ্জ দেখিবে, আফ্রিকা দেখিবেওদের বিষয় লইয়া উপন্যাস লিখিবে । সাহেবরা দেখিয়াছে তাদের চোখে- সে নিজের চোখে দেখিতে চায়, তার মনের রঙে কোন রঙ ধারায়-ইউগান্ডার দিক দিশাহীন তৃণভূমি, কেনিয়ার অরণ্য । বড়ো বেবান রাত্রে ককােশ চীৎকার করিবে, হ্যায়েনা পচা জীবজন্তুর গন্ধে উন্মাদের মত আনন্দে হি-ঘঁহি কারিয়া হাসিবে, দাপরে অগ্নিবষীর্ণ খররৌদ্রে কম্পমান উত্তাপতরঙ্গ মাঠে প্ৰান্তরে, জনহীন বনের ধারে কতকগালি উচুনীচু সদাচাঞ্চল বাঁকা রেখার সন্টি করিবে । সিংহেরা দল পাকাইয়া ছোট কণ্টকবিক্ষের এতটুকু ক্ষদ্র ছায়ায় গোলাকারে দাঁড়াইয়া অগ্নিবন্টি হইতে DBDBDDBDD BBBYYzB DY DBDDDS GLLLLL LLLLLSY DBDSS কিন্তু খোকা যে টানিতেছে আজকাল, কোনও জায়গায় যাইতে মন চায় না। খোকাকে ফেলিয়া । কাজল, খোকা, কাজল, খোকা, খোকন, ও ঘড়ি উড়াইতে BDBBO BDS DDDS DuBBDBD BB DDS SDDBDS EB DS DDB BB BBS SDBBD sBDD আনাড়ি মঠাতে বকের তার অাঁকড়াইয়া ধরিয়াছে। টানিতেছে, প্রাণপণে টানিতেছে-ছোট্ট দিবলৈ হাত দটি নিদায়ভাবে মাচড়াইয়া সরাইয়া লনওয়া ? সবৰ্ণনাশ ! ধাপা, চাপা থাকুক বিদেশীযাত্ৰা । ট্ৰেন হ’হ চলিতেছে- ‘মাঝে মাঝে আমি বন, জলার ধারে লালহাঁস বসিয়া আছে, আখের ক্ষেতে জল দিতেছে, গম কাটিতেছে । রেলের ধারের বািন্ততে উদখলে শস্য কুটিতেছে, মহিষের পাল চরিয়া ফিরিতেছে। বড় বড় মাঠে দােপর গড়াইয়া গিয়া ক্লামে রোদ পড়িয়া আসিল । দরে দরে চক্রবাল-সীমায় এক-আধটা পাহাড় ঘন নীল ও কালো হইয়া উঠিতেছে । কি জানি কেন আজ কত কথাই মনে পড়িতেছে, বিশেষ করিয়া নিশিচনিদপরের কথা । হয়ত এতকাল পরে লীলাদির সঙ্গে দেখা হওয়ার জন্যই । ঠিক তাই। বহা দরে আর একটি সম্পপণ অন্য ধরণের জীবন-ধারা, বাঁশবনের আমবনের স্থায়ায় পাখির কলকাকালীর মধ্য দিয়া, জানা-অজানা বনপল্পের সবাসের মধ্য দিয়া সখে-দঃখে বহুকাল আগে বাহিত্যু-এককালে যার সঙ্গে অতি ঘনিষ্পাঠ