প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৩১৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


83, vaurus অপর জিজ্ঞাসা করিল, রামধনবাব, কতদিন কাজ হ’ল ওদের ওখানে আপনার সবসমাথ ? রামধনবাব পানো দিনের মত গাবত সরে বললেন, এই সাঁইত্রিশ বছর যাচ্ছে । কেউ পারবে না বলে দিচ্ছি, -এক কলমে এক সেরেস্তায় । আমার LDBB BtuSrBu DBBDBBD DBBD DDYYDB sDSDB BYYqDD D বজায় আছি । এ শমার চাকরি ওখান থেকে কেউ নড়াতে পারছেন না - যিনিই আসন । হাসিয়া বলিলেন,-এবার মাইনে বেড়েছে, পীয়তাল্লিশ হ’ল । অপর মাথা কেমন ঘরিয়া উঠিল-সাঁইত্রিশ বছর একই অন্ধকার ঘরে একই হাতবান্ধের উপর ভারী খেরো-বাঁধানো রোেকড়ের খাতা খালিয়া বালি ও স্টিলপেনের সাহায্যে শীলেদের সংসারের চালডালের হিসাব লিখিয়া চলা-চারিধারে সেই একই দোকান-পসার, একই পরিচিত গলি, একই সহকমীর দল, একই কথা ও আলোচনা-বারো মাস, তিনশো তিরিশ দিন ।-সে ভাবিতে পারে না- এই বন্ধজাল, পণ্ডিকাল, পচা পানা পাকুরের মত গতিহীন, প্রাণহীন, ক্ষদ্র জীবনের কথা ভাবিলেও তাহার গা কেমন করিয়া উঠে ! বেচারী রামধন্যবাব-দরিদ্র, বন্ধ, ওর দোষ নাই,তাও সে জানে। কলিকাতার বহ শিক্ষিত সমাজে, আড়ায়, ক্লাবে সে মিশিয়াছে। বৈচিত্র্যহীন, একঘেয়ে। জীবন-অৰ্থহীন, ছন্দহীন, ঘটনাহীন দিনগলি। শািন্ধ টাকা, টাকা-শােধ খাওয়া-পান সক্তি, ব্রিজখেলা, ধর্মপান, একই তুচ্ছ বিষয়ে একঘেয়ে অসার বকুনি --তরুণ মনের শক্তিকে নষ্ট করিয়া দেয়, আনন্দকে ধবংস করে, দন্টিকে সংকীর্ণ করে, শেষে ঘোর কুয়াশা আসিয়া সম্যালোককে রন্ধ করিয়া দেয়-ক্ষন্দ্র, পতিকল, অকিঞ্চিৎকর জীবন কোন রকমে খ্যাত বাহিয়া চলে ।• • •সে শক্তিহীন নয়এই পরিণাম হইতে সে নিজেকে বাঁচাইবে । তারপর সে রামধনবাবর অন্যুরোধে কতকটা কৌতুহলের বশবতী হইয়া শীলেদের বাড়ি গেল। সেই অফিস, ঘরদোর, লোকের দল বজায় আছে । প্ৰবোধ মহারী বড়লোক হইবার জন্য কোন লটারীতে প্রতি বৎসর একখানি টিকিট কিনিতেন, বলিতেন- ও পাঁচটা টাকা বাজে খরচের সামিল ধরে রেখেছি। দাদা । যদি একবার লেগে যায়, তবে সদে আসলে সব উঠে আসবে। তাহা আজও আসে নাই, কারণ তিনি আজও দেবোত্তর এসেণ্টটের হিসাব কষিতেছেন । খাব আদর-অভ্যর্থনা করিল। সকলে । মেজবাব কাছে বসাইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিলেন। বেলা এগারোটা বাজে, তিনি এইমাত্র ঘােম হইতে উঠিয়াছেনবিলিয়াড ঘরের সামনের বারান্দাতে চাকর তাঁহাকে এখনি তৈল মাখাইবে, বড় রূপার গড়গড়িতে রেশমের গলাবন্ধ-ওয়ালা নলে বেহােরা তামাক দিয়া গেল । এ বাড়ির একটি ছেলেকে অপর পাবে দিনকতক পড়াইয়াছিল, তখন সে ছোট ছিল, বেশ সন্দের দেখিতে ছিল-ভারী পবিত্র মািখশ্ৰী, স্বভাবটিও ছিল ভারী মধর । সে এখন আঠােরা-উনিশ বছরের ছেলে, কাছে আসিয়া পায়ের ধলা লাইয়া প্ৰণাম করিল-আপ দেখিয়া ব্যথিত হইল যে, সে এই সকলেই অন্ততঃ দশটা পান খাইয়াছো-পান খাইয়া খাইয়া ঠোঁট কালো-হাতে রূপার পানের