প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৩২০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


రిపి খালির বিলের দিকে গেল-একটা বাবলাগাছে অজস, বন-ধধল ফল দলিতে দেখিয়া খোকা অঙ্গলে দিয়া দেখাইয়া বািলল- ওই দেখ বাবা, সেই যে কলকাতায় আমাদের গলির মাড়ে বিক্ৰী হয়। গায়ে সাবান মাখবার জন্যে, কত বুলচে দেখ, ও কি ফল বাবা ? অপ। কিন্তু নিবাক হইয়া বসিয়া ছিল। কতকাল সে এ সব দেখে নাই!’ পথিবীর এই মন্ত রূপে তাহাকে যে আনন্দ দেয়, সে আনন্দ উগ্ৰবাঁয সরোর মত নেশার ঘোর আনে তাহার শিরার রক্তে, তাহা অভিভূত করিয়া ফেলে, আচ্ছন্ন করিয়া ফেলে, তাহা, অবৰ্ণনীয়। ইহাদের যে গোপন বাণী শধে, তাহারই মনের কানে কানে, মাখে। তথা বলিয়া বঝাইবে সে কাহাকে ? দর গ্লামের জাওয়া-বাঁশের বন অষ্ট-আকাশের রাঙা পটে অতিকায় লায়ার পাখির পাচ্ছের মত খাড়া হইয়া আছে,একাধারে খােব উচ, পাড়ে সারি-বাঁধা গাঙশালিকের গত, কি অপােব শ্যামলতা, কি সান্ধ্য-শ্ৰী ! a. काक्र्ब्ल दर्तालल-tदश्व tन* दादा-न्मा ? --তুই এখানে থাক খোকা-আমি যদি রেখে যাই এখানে, থাকতে পারবি নে ? তোর পিসিমার কাছে থাকবি, কেমন তো ? কাজল বলিল-হ্যাঁ, ফেলে রেখে যাবে বৈ কি ! আমি তোমার সঙ্গে যাব বাবা । অপ ভাবিতেছিল। শৈশবে এই ইছামতী ছিল তার কাছে কি অপােব কল্পনায় ভরা। গ্রামের মধ্যের বর্ষাদিনের জলকাদা-ভরা পথঘাট, বশিপাতা পচা অটিাল মাটির গন্ধ থেকে নিৎকৃতি পাইয়া সে মত্ত আকাশের তলে নদীর ধারাটিতে আসিয়া ব্যাসত। কত বড় নৌকা ওর ওপর দিয়া দরে দেশে চলিয়া যাইত । কোথায় ঝালকাটি, কোথায় বরিশাল, কোথায় রায়মঙ্গলা-অজানা দেশের কলপনায় মািখ মনে কতদিন সে না ভাবিয়াছে, সেও একদিন ওই রকম নেপাল মাঝির বড় ডিঙিটো করিয়া নিরণেদণ বাণিজ্যযাত্রায় বাহির হইয়া যাইবে । ইছামতী ছিল পাড়াগাঁয়ের গরীব ঘরের মা । তার তীরের আকাশে-বাতাসের সঙ্গীত মায়ের মাখের ঘািম-পাড়ানি গানের মত শত প্লেহে তার নৰ-ম, কুলিত কচি মনকে মানষে করিয়া তুলিয়াছিল, তার তীরে সে সময়ের কত আকাঙ্ক্ষা, বৈচিত্র্য, রোমান্স,-"তার তীর ছিল দারের অদেখা বিদেশ, বর্ষার দিনে এই ইছামতীর কুলে স্কুলে ভরা ঢলঢল গৈরিক রূপে সে অজানা মহাসগড়ের তারহীন অসীমতার সন্ধপান দেখিত - ইংরাজী বই"এ পড়া Cape Nuin"এয়। ওদিকের দেশটা-যে দেশ ä5 cigas viRT3 çişçš rit-iHe who passics Cape Nun, will either return or not-মথচোখে কুলছাপালো ইছামতী দেখিয়া তখন সে ভাবিত ৪, কত বড় আমাদের এই গাণ্ডটা - ** এখন সে আর বালক নাই, কত বড় বড় নদীর দরকুল-ছাপানো লীলা দেখিয়াছে- গঙ্গা, শোণ, বড়দল, নামদা-তাদের অপবসন্ধ্যা, অপর্বে বণ সম্পভার দেখিয়াছে-সে। বৈচিত্ৰ্য, সে প্রখরতা ইছামতীর নাই, এখন তার চোখে ইছামতী ছোট নদী। এখন সে বঝিয়াছে তার গরীব ঘরের মা উৎসব-দিনের বেশভূষায় তার শৈশব-কল্পনাকে মগধ করিয়া দিত, এসব বনেদী বড় ঘরের মেয়েদের