প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৩৩৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ტტხყ; urrors ছবির ভাষা-প্রকৃতি এই ছবির ভাষায় কথা বলেন- এখানেও সে দেখিল গাছপালায়, উইঢিপির ফ্ল্যাশে শকানো খড়ের ঝোপে, দারের বাঁশবনের সারিতে-সেই সব কথাই বলে সেই সব ভােবই মনে আনে। প্রকৃতির এই ছবির ভাষাটা সে বোঝে । তাই নিজন মাঠে, প্রান্তরে বনের ধারে একা বেড়াইয়া সে যত প্রেরণা পায়- যে পলক অনভব করে তা অপব-সত্যিকার joy { if Life-পায়ের তলায় শকানো লতা-কাটি, দেয়াড়ের চরে রাঙা-রোদ মাখানে কষাড় বোপ, অ্যাকন্দের কন, ঘেটুকন – তার আত্মাকে এরা ধ্যানের খোরাক যোগায়, এ যেন অদশ্য সর্বাতী নক্ষত্রের বারি, তারই প্ৰাণে মন্ডার দানা বাঁধে । সন্ধ্যার পরবী কি গৌরীরাগিণীর মত বিষাদ ভরা আনন্দ, নিলিপ্তি ও নিবিকার- বহন্দরের ওই নীল কৃষ্ণাভ মেঘরাশি, ঘন নীল, নিথর, গহন আকাশটা মনে যে ছবি অকে, যে চিন্তা যোগায়, তার গতি গোমখী-গঙ্গার মত অনন্মেগ্ন দিকে, সে সন্টি-স্থিতি-লয়ের কথা বলে, মাতু্যপারের দেশের কথা কয়,- ভালবাসা-বেদনা – ভালবাসিয়া হারানো-বিহীদরের এক প্রীতি ভরা পানজন্মের বাণী--- এইসব শান্ত সন্ধ্যায় ইছামতীর তীরের মাঠে বসিলেই রক্তমেঘঙ্গতািপ ও নীলাকাশের দিকে চাহিয়া চারিপাশের সেই অনন্ত বিশেবর কথাই মনে পড়ে । মনে পড়ে বাল্যে এই কাঁটােভরা সাইবাবলার ছায়ায় বসিয়া বসিয়া মাছ ধরিতে ধরিতে সে দর দেশের সর্বপ্ন দেখিত-আঞ্জকাল চেতনা তাহার বাল্যের সে ক্ষদ্র গণ্ডী পার হইয়া ক্ৰমেই দরি হইতে দরে আলোকের পাখায় চলিয়াছে-এই ভাবিয়া এক এক সময় সে আনন্দ পায়-কোথাও না যাক - যে বিশেবর সে একজন নাগরিক, তা ক্ষদ্র, দীন বিশব নয় । লক্ষ কোটি আলোক-বষ যার গণনার মাপকাঠি, দিকে দিকে অন্ধকারে ডুবিয়া ডুবিয়া নক্ষত্রপঞ্জ, নীহারিকাদের দেশ, অদশ্য ঈথারের বিখব যেখানে মানষের চিন্তাতীত, কলপনাতীত দরিত্বের ক্রমবর্ধমান পরিধিপানে বিস্তৃত- সেই বিশেব সে জন্মিয়াছে’- R ঐ অসীম শান্য কত জীবলোকে ভারা-কি তাদের অদ্ভুত ইতিহাস ! অজান নদীতটে প্রণয়ীদের কত অশ্রািভরা আনন্দতীথ-সারা শান্য ভরিয়া আনন্দসপন্দনের মেলা-ঈথারের নীল সমদ্র বাহিয়া বহা দরের বৃহত্তর বিশেবর সে-সব জীবনধারার ঢেউ প্রাতে, দর্পারে, রাতে, নিজনে একা বসিলেই তাহারা মনের বেলায় আসিয়া লাগে-অসীম আনন্দ ও গভীর অনভূতিতে মন ভরিয়া উঠে -পরে সে বঝিতে পারে শািন্ধ প্রসারতার দিকে নয়—যদিও তা বিপাল ও অপরিমেম-কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে চেতনা-প্তরের আর একটা Dimension যেন তার মন খাজিয়া পায় -এই নিস্তবধ শরত-পািপর যখন অতীতকালের এমনি এক মধ্যর মগধ শৈশব-দপরের ছায়াপাতে স্নিগ্ধ ও করণ হইয়া উঠে তখনই সে ববিতে পারে চেতনার এ স্তর বাহিয়া সে বহন্দরে যাইতে পারে - হয়ত কোন অজ্ঞাত সৌন্ধয৯ায় রাজ্যে, দৈনন্দিন ঘটনার গতান,গতিক অনভূতিরাজি ও একঘেয়ে মনোভাব যে রাজ্যের সন্ধান দিতে পারিতই না কোনদিন ।••• নদীর ধারে আজিকার এই আসন্ন সন্ধ্যায় মাতুত্যুর নব রােপ সে দেখিতে পাইল ।