প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৪১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অপরাজিত ଅନ୍ଧ কতদিন সে বাবার মােখ দেখে নাই। আজ চার বৎসর ! উদ্গত চোখের জল চাপিয়া জবাতলায় গিয়া সে গাছের ছায়ায় চুপ করিয়া বসিল । অন্যমনসিকভাবে বইখানা সে উলটাইয়া যায় । তাহার প্রিয় সেই তিন-রঙা ছবিটা বাহির করিল, পাশের পন্ঠার সেই পদ্যটা { সর্বদেশ হইতে বাহাদরে, আত্মীয়স্বজন হইতে বহন্দরে, আলজিরিয়ার ককাশ, বন্ধের, জলহীন মর্যােপ্রান্তে একজন মািমষ তরণ সৈনিক বাল্যুশয্যায় শায়িত। দেখিবার কেহ নাই। কেবল জনৈক সৈনিকবন্ধ পাখে হাঁটু গাড়িয়া বসিয়া মাখে। চামড়ার বোতল হইতে একটু একটু জল দিতেছে। পথিবীর নিকট হইতে শেষ বিদায় লইবার সময় সম্পমাখের এই অপরিচিত, ধ্যােসর উচুনিচু বালিয়াড়ি, পিছনের আকাশে সান্ধঃসংযোিরস্তুচ্ছােটা, দরে খঞ্জরেকুঞ্জ ও উধাবম,খ উল্‌ট্ৰশ্রেণীর দিকে চোখ রাখি: মমষ সৈনিকটির কেবলই মনে পড়িতেছে বহন্দরে রাইন নদীতীরবর্তী তাহার জন্মপল্লীর কথা” । “তাহার মা আছেন সেখানে । বন্ধ, তুমি আমার মায়ের কাছে খবরটা পৌছাইয়া দিও, ভুলিও না। -- For my home is in distant Bingen, Fair fingen on the Rhine মাকে অপ দেখে নাই আজি পাঁচ মাস!-- সে আর থাকিতে পারে না’ , ‘বোডিং তাহার ভাল লাগে না. স্কুল আর ভাল লাগে না, মাকে না দেখিয়া আর থাকা | | | এই সব সময়ে এই নিজন অপরাহুগলিতে নিশ্চিন্দিপরের কথা কেমন করিয়া তাহার মনে পড়িয়া যায় ॥২ সেই একদিনের কথা মনে পড়ে ।*** বাড়িতে পাশের পোড়ো ভিটার বনে অনেকগলো ছাতারে পাখি কিচমিচ করিতেছিল, কি ভাবিয়া একটা ঢিল, ছড়িয়া মারিতেই দলের মধ্যে ছোট একটা পাখি ঘাড় মোচড়াইয়া টুপ করিয়া ঝোপের নিচে পড়িয়া গেল, বাকীগলা উড়িয়া পলাইল । তাহার ঢিলে পাখি সত্য সত্য মারবে ইহা সে ভাবে নাই, দৌড়িয়া গিয়া মহা আগ্রহে দিদিকে ডাকিল, ওরে দিদি, শীগগির আয়রে, দেখবি একটা জিনিস, ছাঁটে আয় দািগ আসিয়া দেখিয়া বলিল, দেখি, দে-দিকি আমার হাতে ! পরে সে নিজের হাতে পাখিটিকে লইয়া কৌতুহলের সহিত ন' চড়িয়া দেখিল । ঘাড় ভাঙিয়া গিয়াছে, মখ দিয়া রন্ধ উঠিয়াছে, দাগার * বস্তু লাগিয়া গেল। দােগা তিরস্কারের সরে বলিল, আহা কেন মার, ஃ অপর বিজয়গবে উৎফল্ল মন একটু দািন । গেরু দােগা বলিল, আজ কি বার রে ? সোমবার তুই তো বামনের ছেলেচল, তুই আর আমি একে নিয়ে গিয়ে গাঙের ধা.ে 'अनि, ga १टि शी gर्दै । তারপর দােগা কোথা হইতে একটা দে” সংগ্ৰহ করিয়া আনিল, তে তুলতলার ঘাটের এক ঝোপের ধারে শকিনো পাতার আগনে পাখিটাকে,