প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৬৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*雷行研°C (G একখানা ঘর ভাড়া করিয়া থাকিত, নিজেরাই রধিয়া খাইত, অপকে তাহারা লাইতে রাজী হইল । যে তিনটি ছেলে একসঙ্গে ঘর ভাড়া করিয়া থাকে, তাহদের সকলেরই বাড়ি মার্শিদাবাদ জেলায় । ইহাদের মধ্যে সরেশনরের আয় কিছু বেশী, এম-এ ক্লাসের "ছাত্র, চল্লিশ টাকার টিউশনি আছে। জানকী যেন কোথায় ছেলে পড়াইয়া কুড়ি টাকা পায় । নিমিলের আয় আরও কম । সকলের আয় একত্র করিয়া যে মাসে “যাহা অকুলান হয়, সরেশবের নিজেই তাহা দিয়া দেয়, কহাকেও বলে না। অপ প্রথমে তাহা জানিত না, মাস দই থাকিবার পর তাহার সন্দেহ হইল প্রতিমাসে সারেশবের পাঁচিশ-ত্রিশটাকা দোকানের দেনা শোধ করে, অথচ কাহারও নিকট চায় না কেন ? সরেশল্পের কাছে একদিন কথাটা তুলিলে, সে হাসিয়া উড়াইয়া দিল । সে বেশী এমন কিছ দেয় না, যদিই বা দেয়-তাতেই বা কি ? তাহদের যখন আয় বাড়িবে তখন তাহারাও অনায়াসে দিতে পরিবে, কেহ বাধা দিবে না। তখন । নিমািল রবিঠাকুরের কবিতা আবত্তি করিতে করিতে ঘরে ঢুকিল । তাহার গায়ে খাব শক্তি, সংগঠিত মাংসপেশী, চওড়া ব্যক । অপর মতই বয়স । হাতের ভিতর একটা কাগজের ঠোঙা দেখাইয়া বলিল-নাতন মটরশটি, লঙ্কা দিয়ে। 宽可ö一 অপ, হাত হইতে ঠোঙাটা কাড়িয়া লইয়া বলিল-দখি ? পরে হাসিমখে বলিল-সারেশবেরদা, সেটাভা ধরিয়ে নিন-আমি মাড়ি আনি-ক’পয়সার আনবো ? এক-দই-তিন-চার -আমার দিকে আঙল দিয়ে গণো না ওরকমআপ হাসিয়া নিমিলের দিকে আঙলি দেখাইয়া বলিল-“তোমার দিকেই আঙল বেশী করে দেখাবো-তিন-তিন-তিন নিৰ্মল তাহাকে ধরিতে যাইবার পথে সে হাসিতে হাসিতে ছটিয়া বাহির হইয়া গেল । সরেশবের বলিল-একরাশ বই এনেছে কলেজের লাইব্রেরী থেকেএতও পড়তে পারে-মায় মমসেনের রোমের হিস্টি; এক ভল্যাম অপাের গলা মিনিট বলিয়া সন্ধ্যার পর সবাই গান গাওয়ার জন্য ধরে । কিন্তু পরাতন লাজকোপনা তাহার এখনও যায় নাই, অনেক সাধ্যসাধনার পর একটি বা দটি গান গাহিয়া থাকে, আর কিছুতেই গাওয়ানো যায় না। কিন্তু রবিঠাকুরের কবিতার সে বড় ভােষ্ট্র, নিমিলের চেয়েও । যখন কেহ ঘরে থাকে না, নিজনে হাত-পা নাড়িয়া আবত্তি করে সন্ন্যাসী উপগপ্ত মাথারাপারীর প্রাচীরের তলে একদা ছিলেন সপ্ত । ইতিহাসের অধ্যাপক মিঃ বসকে অপাের সবচেয়ে ভাল লাগে । সবদিন তাঁহার ক্লাস থাকে না-কলেজের পড়ায় কোন উৎসাহ থাকে না সেদিন। কালো রবন-ঝোলানো পশিনে চশমা পরিয়া উপেজলচক্ষ মিঃ বাস ক্লাসরুমে ঢুকিলেই