প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৯১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অপরাজিত ふ వS কিছ কম্পট না – দিন। আপনি-গোরা লস করে কি করবে। আমাদের ? কয়লা খব দিতে পারবো।-- s কেরানীবাবটি হাসিয়া বলিলেন,-“একি ছেলেখেলা হে ছেক্লারা ! কয়লা দেবে তোমরা ! বৰঝতে তো পারছে না। সেখানকার কাড়কারখানা ! বয়লারের গরম, হাওয়া নেই, দম বন্ধ হয়ে আসবে - আর শভেল কয়লা দিতে না দিতে হাতের শিরা দড়ির মত ফুলে উঠবে।--আর তাতে ওই ডেলিকেট হাত - হাঁপ জিরাতে দেবে না, দাঁড়াতে দেখলে ইঞ্জিনিয়ার সাহেব মারবে চাবকে—দশ হাজার ঘোড়ার জোরের এঞ্জিনের সিস্টম বজায় রাখতে হবে সব সময়, নিঃশ্ববাস ফেলবার সময় পাবে না-অ্যার গরম কি সোজা ! কুম্ভীপাক নরকের গরণ ফাণেসের মাখে । সে তোমাদের p. তবও দ’জনে ছাড়ে না । ": ইহারা যে বাড়ি হইতে পালাইয়া যাইতেছে, সে ধারণা বাবটির আরও দৃঢ় হইল । বলিলেন,- নাম ঠিকানা দিয়ে যাও তো তোমাদের বাড়ির । দেখি তোমাদের বাড়িতে না হয় নিজে একবার যাব । কোনো রকমেই তাঁহাকে রাজী করাইতে না পারিয়া অবশেষে তাহারা চিলিয়া আসিল । ऊा>ाझाक्किङ অষ্টম পরিচ্ছেদ একদিন অপর দােপরেবেলা কলেজ হইতে বাসায় ফিরিয়া আসিয়া গাঙ্গের জলনা খলিতেছে, এমন সময় পাশের বাড়ির জানালাটার দিকে হঠাৎ চোেখ পড়িতে সে আর চোখ ফিরাইয়া লইতে পারিল না । জানালাটার গায়ে খড়ি দিয়া মাঝারি অক্ষরে মেয়েলি ছাঁদে লেখা আছে-‘হেমলতা আপনাকে বিবাহ করবে।' অপ অবাক হইয়া খানিকটা সেদিক চাহিয়া রহিল এবং পক্ষেণেই কৌতুকের অাসোগো হাতের নোটখাতাখানা মেঝেতে ছড়িঃা ফেলিয়া আপন মনে মা-হো করিা: হাসিয়া উঠিল । পাশের বাড়ি-তােহার ঘরটিা হইতে জানালাটা হােত পাঁচ ছয় দত্নে-মধ্যে একটা সর গলি। অনেকদিন সে দেখিছে, পাশের বাড়ির একটি মেয়ে জানালার গরাদে ধরিয়া এদিকে চাহিয়া আছে, বয়স চৌন্দ-পনেরো। রং উপগ্রবল শ্যামবাণ', কোঁকড়া কোঁকড়া চুল, বেশ মনুখখানা, যদিও তাঁহাকে সন্দেরী বলিয়া কোনদিনও অপর মনে হয় নাই । তাহার কলেজ হইতে আসিবার সময় হইলে প্রায়ই সে মেয়েটিকে দাঁড়াইয়া থাকিতে দেখিত । ক্লামে শােধ দাঁড়ানো নয়, মেপ্লেটি তাহাকে দেখিলেই হঠাৎ হাসিয়া জানালার আড়ালে মািখ লকায়, কখনও বা জানালাটার খড়খাঁড়ি বারকস্তক খালিয়া বন্ধ করিয়া মনোযোগ আকর্ষণ করিতে চেষ্টা করে,