পাতা:অমরনাথ (কৃষ্ণচন্দ্র রায় চৌধুরী).pdf/১২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অমরনাথ । ు রামার বেটা শাম । হেঃ হেঃ হেঃ ! তোমাদের কতগুলি লোকের ংস্কার এই যে, সুন্দরী স্ত্রী হলেই গৃহাশ্রমের মুখের চরম হল, স্নায় ধন সম্পত্তি হলেই পৃথিবীর মুখের আর বাকী থাকুল না। যেমন কেশে ধোপার খুড় পাগল হয়ে পাকা কঁঠাল পাকা কঁঠাল কোরে কোরে ব্যাঁড়াত, তেমনই বড় মানুষ বড় মানুষ কোরে তোমাদের এক বাই হয়েছে। যাদের তোমরা বড় মানুষ বোলে ভাবে গদ গদ হেীয়ে ঢলে পড়, আমি তাদের মানুষ বেtললেও পারি, ঐ এক রকম জানোয়ার বোলালেও পারি। যার হস্ত পদাদি থেকেও নেই। পা আছে, কিন্তু ছু প' চোলতে হলে পরের পা ব্যবহার কোত্তে হয় । হাত আছে, কিন্তু একটা কৰ্ম্ম কোত্তে হলে পরের হাত না হলে হয় না। এই গরমি কালে একটি একটি অপেন কোটরে বোসে আছেন, যেন কুলুঙ্গির গণেশটি। সৰ্ব্বাঙ্গ যেন পাকা নিচুর মত ঘামচিতে ঢেকে বেআকার কোরে ফেলেছে। তা আবার চুলকোবার যো নেই। হাত দুখানি কচ্ছপের হাতের মত পিঠ পৰ্য্যন্ত পোঁচোয় না । মুধু তুড়ির উপরেই ঘোরে ফেরে। যদি হাসতে কি কাশতে হল, তবেই পাঁচ জনে দাড়ীয়ে দ্যাখবার উপযুক্ত একটি তামাস উপস্থিত হল । সৰ্ব্বাঙ্গ শরীর দুলতে লাগল, ভুড়ি নৃত্য কোত্তে লাগল, যেন বন্ধিনাথের গোরুর নাচ আরম্ভ হল । আর অমনি পাহাড়ের ঝরণার गड সব ঘর্থের স্রোত রয়ে চোল্ল। আবার এদিকে পিঠের ঘামচি ভয়ানক চিড়বিড়িয়ে উঠল ; তা হাতে তো চুল্কবার যে নেই, সুতরাং: দেলের গায় কি তাকিয়ার, গায় যেন ষাড়ের মত গা ঘষতে লাগলেন। অধিক কথা কি, ভালরূপে একটি নিশ্বাস ছাড়বার যে নেই –যেন উদরীর রোগীর ন্যায় উঠতে, বোসতে, পাশ ফিন্তে কেবল অংহ t উহ! এই মাত্র শুনা যায়। রাম, রাম ! অমন বড় মানুষ হওয়া মহা