পাতা:অমরনাথ (কৃষ্ণচন্দ্র রায় চৌধুরী).pdf/১৩৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১২৪ অমবনাথ । কিন্তু বট বৃক্ষ শাখা করিয়া বিস্তার স্থশীতল ছায়া দানে জুড়ায় তাপিত পথিক জনেরে । সেই হেতু দেখ তার প্রতি শাখা হতে মূল নামিয়া নামিয়া, তরুবরে ভূমিতে করিয়া বদ্ধ মূল, এতাদৃক দীর্ঘ জীবী করয় তাহাকে, যে সত্য যুগের বট আছে অদ্যাবধি । সেই বট তরু সম তুমি হে অমর ; কীৰ্ত্তি শাখা তোমার হইয়ে বিস্তারিত, দুখের তপনে সন্তাপিত কত জনে উপকার ছায়া দানে করিছে শীতল । প্রত্যেক কীৰ্ত্তি হইতে দেখ তেকারণ, যশ রূপা মূল তার হয়ে বিনিগত, ইহ জন স্মৃতি ভূমে করি বদ্ধ মূল, অমর তোমার নাম করিল অমর ! অমর । মহাশয ও কথা আবি বোলবেন না । এ সকল কথাতে আমি অন্তঃকবণে বেদন পাই । আপনাদেবও বলাতে লাভ নেই । ন্যায়। না বাবু, আমরা আর কিছু বোলছিনে, এবং যা বোলিছি তাও বোলতেম না, কিন্তু করি কি ? যেমন কোন ঘৃণাকব দ্রব্যেব হ্রাণ নাসিকায প্রবেশ করিলে উদবে যা কিছু থাকে সব উঠে পড়ে, তেমনৃই ওঁর নাম