পাতা:অমরনাথ (কৃষ্ণচন্দ্র রায় চৌধুরী).pdf/১৭০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


टाबद्भनां★थं । >曾穹 ( গাঙ্কোখান এবং অমরনাথের চরণ ধারণ ) প্ৰাণেশ্বর ! তুমি অধীনীকে ছেড়ে যেতে পারবে না। আমি তোমার চরণ ছাড়বো না । অমর। প্রেয়লি ! তৰে আমি আর কিছুই বোল্‌তে চাইনে । আমারও এমনি ইচ্ছা হোচে ষে আমি থাকি। কিন্তু কাল প্রাতঃকালে যে কি হবে, তাই ভেবিই আমার মন বিচলিত হোচ্চে। এখন তুমিই বিবেচনা কর। অামি যে দারোগার চালানে মেজেক্টরিতে গিয়ে এই মকদম কোরব, তা কখনই ছোতে পারে না । তা দূরে থাকুক আমি যে গ্রামের লোকের কাছেই কাল মুখ দেখাতে পারব না। প্রাতেই আমায় হয় তো আত্মঘাতী হোতে হবে। এই নিমিত্তে বোলছিলেম যে আমি এখন কিছু দিনের জন্যে স্থানান্তর যাই, তার পর এ মিথ্যা অপবাদ এখন যে এই প্রকাগু দেখাচ্ছে, এ রামধন্থর মত শীঘ্ৰ জাপন হতেই লুকিয়ে ষেতো । তা হলে আবার সব শুভিতে হোতে পার্ভো । , কমল । ( কিয়ৎকাল স্তন্ধ থাকিয়া ) সত্যিই তো বটে ! আমি কি কোচ্ছিলেম । কি সৰ্ব্বনাশ ! এই রকম আশু সুখই মানুষের বিপদের সাধারণ কারণ। রোগী লোক কিঞ্চিৎ আগু সুখের লোভে কুপথ্যি কোরে শেষে বিপদে পড়ে। আমিও তাই কোত্তে গিছলেম। না না না । এ কিছু কথা না। এখন তুমি বিবেচনা মতে যা ভাল হয় তাই কর । অমর। ই, এইই উচিত। তবে আমি অীর ৰিলন্ধ কোরব না । আমি উইলাম ( গাত্ৰোখান )। কমল। প্ৰাণেশ্বর । একটু দাড়াও একটু দাড়াও। (রোদন ) আমি একবার দেখে নেই। কি জানি আমার তো বড় ভাল বোধ হোচে না । অমর । প্রেয়লি ! তুমি এ সময় এমন কোলে তবে মার আমি খেতে পারিনে। তুমি এই কথা বলাতেই যেমন নদীর জোয়ার পরিপুর্ণ হবার সময় বেগ মন্দ হয়, তেমনি আমার মনের বেগ মৃদ্ধ হয়েছে। অার একটু