পাতা:অমরনাথ (কৃষ্ণচন্দ্র রায় চৌধুরী).pdf/২৪৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


え38 অমরনাথ ? জুশীলকে বড় স্নেহের সহিত ডেকে তার হাতে দুটি রসগোল্লা দিলেন । এই সময় বলদ বাহন এসেই সুশীলকে এক চড় মেরে তাব হাত মুচুড়ে কেড়ে নিয়ে আপনি মুখে দিয়েচে । যেই গিলেচে, আর অমনি ঘুরে পোড়ে মরেছে। এই বড় ঠাকুর এসেই সুশীলের উপর আক্রমণ। বলেন তুই ওকে দিলি কেন, তুই কেন নিজে খেলিনে ? বোলেই এক চড় ! চারু । ( নেপথ্যে ) আর বড় দাদা যখন আমার দাদার হাত থেকে কেড়ে নিলেন তখন জ্যেঠাই মা অরে তুই খাসনে খাসনে বোলে অতিশয় ব্যগ্র হয়ে মান কোত্তে লাগলেন, এমন কি একে বীরে দৌড়ে ঘরের ভিতর থেকে বেরিয়ে এলেন । তা তিনি একেবারে মুখে দিই গিলে ফেললেন । গোপীনাথ দাদা অাগে বোলেছিলেন যে ও জিনিশে অামার সন্দেহ হয় ! বিবি। বটে ? এই জন্যে ও ঘরেও কান্না শুনতে পাওয়া যাচ্ছে। তা আমি বলি কৰ্ত্তাটি কি উীর ছেলে বুঝি ঠাকুরুণটিকে পীড়ন কোরেছেনযেমন নিত্যই হয়ে থাকে-তাই তিনি কাদচেন । ত ওঁর কি বলেন ? কমল । ওঁরা বলেন, তাড়াতাড়ি গিলতে গলায় বেধে মোরেছে। বিবি। যাই হোক, সাবধান হওয়া আবশ্যক। ( সাহেব এবং মতি বাবুব প্রতি ) আপনার সব শুনলেন ? সাহেব । ই, শুনলেম, গলায় বেধে মরাই অধিক সম্ভব । মতি । যে মানুষের সম্বন্ধে কথা হোচ্ছে র্তাকে তো আপনি বিশেষ জানেন না । সে যা হোক, সুশীলকে আর এখানে রাখা নয় । ওর তো এল, এ, কোর্স প্রায় ফিনিস হয়েচে, ও এখন কলিকাতায় যাক, প্রেসিডেনসি কলেজে পড়ুক গে। আমি আর ও ছেলে এক ঘণ্টার জন্যেও এখানে রাখতে পারিনে, আমার প্রাণ কঁপিছে। সাহেব । এতে আর কথা নেই, আজই পাঠান।