পাতা:অমরনাথ (কৃষ্ণচন্দ্র রায় চৌধুরী).pdf/২৭২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অমরনাথ । ૨૭૭ কমল । (হঠাৎ ঘুমের ঝিমুনি ভাঙ্গীর ন্যায় মস্তক উঠাইয়া ত্যক্তলজ্জ হইয়া বিস্ময়পূর্ণ নয়নে দৃষ্টি । ) ষাড়ে। তবু ভাল যে, আমার উপর এতক্ষণেব পর দয়া হল । আহাঁ, তোমার জন্যে আমার প্রাণটা থেকে থেকে যেন কুকুরের মত কেঁদে কেঁদে ওঠে। সে দিন যখন তোমাকে দেখলেম, তখন আমার প্রাণটা যেমন বাদোরে কলা দেখুলে লাফিয়ে পোড়তে যায়, তেমনি কোত্তে লাগল । সেই অবদি যেমন বেরালে তাজ মাছের গদ পেলে ছে৷ ছে৷ কোরে বেড়ায়, আমি তোমাকে দ্যাখবার জন্যে তেমনি বেড়াতে নেগিচি। তোমার জন্যে আমার এই দশা হযেচে। হে প্রাণ-সজুনি! এখন তো এ বাড়ীতে অর কোন গোল নেই। ঐ শকুনখাগিটেকে তাড়িয়ে দিয়ে এস আমরা দুজনে পিরিত কোরে সচ্চন্দে থাকি। যত টাকাকড়ি বিষোয় টিষোয় সব তোমার পায়ে আমি পুজ করি। কমল। কি বলি ? নরাধম! চণ্ডাল ! তোমার এত বড় যোগ্যতা ! ষাড়ে। আবার তোমার তোমার বোলে কথা কও কেন ? তুমি যদি তুই তুই বোলে কথা কও তো আরও মিষ্টি লাগে। যেন একটু ভাল বাসার মত বোধ হয় । কমল। শোনো! তুমি আপনার মঙ্গল চাও তো এখান থেকে দূর হও। তুমি জান না আমি সিংহের ঘরণী ? তুমি চড়া হয়ে বাজের বুকের মাংস অtহার কোত্তে চাও? তুমি মুটে হয়ে মাথার বিড়ে ফেলে রাজমুকুট পোত্তে চাও? তুমি গোবর গাদার পোকা হয়ে চন্দ্রের গায়ে উড়ে বোসতে চাও? তুমি ভেবেছ যে আমার সিংহের মৃত্যু হয়েছে, তা নয়। তিনি আবার সত্বরেই আসবেন । আমি স্বপ্ন দেখিচে । র্যাড়ে। ও । তাই এত চোট । তুমি বাতিকের খ্যালে সপন দেখে তাই ভেবেচে ? তবে এই তোমার ধাধা ঘুচিয়ে দিচ্ছি। এই দেখ দেখি