পাতা:অমরনাথ (কৃষ্ণচন্দ্র রায় চৌধুরী).pdf/৪৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


\ల్సి অমরনাথ । ততদূব চেয়ে থাকলেম । তার পর যখন একেবারে অদৃশ্য হল, তখন যেন ঐ গাড়ীর শব্দ আমার কাণের মধ্যে হুহু কোর্ভে লাগল আর বুকটা ধড় ধড় কোর্তে লাগল । বোধ হতে লাগল ষেন এতক্ষণ স্বপ্নে ইন্দ্রের নন্দনবনে গিয়ে সকল বিদ্যাধরীদিগের মৃত্য গীতে মুগ্ধ হয়েছিলেম, এই সময় ঘুম ভেঙ্গে দেখি কোত্থাও কিছু নেই, সামনে ধলেঙ্গার মাঠ ধু ধু কোচ্ছে। এই ত অবস্থা—এখন বাৰু (গণেশ চৌধুরীব প্রতি ) আমার বুকের ভিতর ধুপ ধুপ শব্দে বমের গোল্লা ছুটচে, এখন এক গেলাস লাল জল না হুলে ত্তে এ অtগুণ নেভে না । গণেশ । আমি তবে না বোলে আর থাকুতে পারিনে । তুমি এতে চট আর রাগই কর। ভাল তোমার বুকের মধ্যে তো বমের গোল্লা ছুটচে। তা তুমি মদ খাবাব সময় ই কোয়ে যদি—তোমার ওর নাম কি—একটি সেই গোল্লা ছুটে বেরিয়ে আমার গেলাসটি ভেঙ্গে যায় ? হি হি হি হি হি হি ! (পুৰ্ব্বমত প্রথম শীতলের প্রতি পরে অমৃতলালের প্রতি সহস্যে দৃষ্টি)। অমৃত। ( হাস্য করিয়া) তা যা হোক, এখন ব্রাহ্মণ যখন ধোরেচে তখন মা দিলেও তো হবে না ? তা গ্লাস ভাঙ্গৰে না, ঐ লাল জল লেগে বমের গোল্লা রসগোল্লা হয়ে ষাৰে এখন । গণেশ । তবে অমৃত বাৰু ! গোস্তাকি মাফ হয় তো একটি কথা বোলি । আমার ঠাকুরের দিনের বেলা ঘুমান রোগটি ছিল, আর বুড়মাস্থ্য সুমুলিই— তোমার ওর নাম কি—ই কোরে পোড়তেন, আমি রোজ ৰৈকেলে বেরিয়ে যাবার সময় দেখে ষেতেম। তাই বলি ষে এখন যদি তিনি সেই রকম ছ। কোরে থাকতেন, তবে এই রসগোলা হয় তো ঠার গালে পোড়তে পাত্তে । (সকলের হাস্য) অস্থত। আপনি যে আজ কাকগুই ছাজুচেন না । আমাকে একটু অনুগ্রহ ক্ষোৰ্ত্তেন, তা আজ আমাকেও ষে ছাড় চেন না ।