পাতা:অমৃত গ্রন্থাবলী প্রথম ভাগ.pdf/২৮০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিলাপ ! পর-ভাষা প্রিয় জ্ঞান, রাখেন আমার মান, রাজদ্বারে অপমান যাব কার ঠাই । যথা হয় উচ্চ-শিক্ষণ, অামার মিলে না ভিক্ষ, কে আর করিবে রক্ষা ঈশ্বরে শুধাই । অভাগিনী বঙ্গ ভাষা কাদিয়ে বেড়াই ৷ সরস্বতী — আছ কে তুমি গো বালা,মরি শোকেতে বিহ্বল, আকুলিত প্রাণে গাও শোক-গাথ। কোথা এলোকেশে ধাও,কেন শূন্ত পানে চাও, কি তাপ তোমার হয়ে দিল বল ধাত। নয়নের নীর-রেখা, মলিন বয়ানে লেখা, কার নাহি পেয়ে দেখা খুজিয়ে বেড়াও । স্বর ধেন চেন চেন, কে মা পরিচয় দে না, নারী অামি মোর কাছে লজ্জ কে ন পাও ৷ বঙ্গঙাধা । বীণাধৰনি জিনি, কার সুধাৰাণী, ও মা বীণাপাণি তুমি মা হেথায় ? জনম-দুখিনী, তোমার নন্দিনী, দেখ ম আজি গো কঁাদিয়ে বেড়ায় ॥ সরস্বতী। অtছ বঙ্গভাষা, তোর হেন দশা, আয় অীয় বাছ মোর কাছে আয় । কেন মা কাতরা, বল বল ত্বরী, নলিন-নয়নে কেন ধারা বয় ॥ কোমল বলিয়ে, কোলেতে পালিয়ে, সকল দুহিত হ’তে জ্ঞালবাসি । रुक्रदझिझम्न, কোমল-হৃদয়, সে সবারে তাই তোরে সাপে আসি ৷ কও মা গো কথা কিবা পেলে ব্যথা, ८कलां दा९ तळ fलश शां c७ॉयोंग्नि ? বঙ্গভাষা । মা গে| কি বলিল আর, ठांछ दान्न श्ॉशिंकाँग्न, বঙ্গরাণী-শিরোমণি তাজেছে জীবন। বিষাদ-বিম্বপ্ন বঙ্গ, নাছি কাৰ্য্য নাহি রঙ্গ, একসঙ্গে মনোভঙ্গে করিছে রেদিন । বিদ্যার্থী বালকগণ, শোকনারে নিমগন, পিতৃহীন প্রায় করে অশৌচ গ্রহণ । నిష్క్రి-- २br> ধূলা-মাথা খালি পায়, নতমুখে চলে যায়, শিশুর অধরে নাই হাসির কিরণ ॥ শিক্ষক পণ্ডিত স্বত্ত, শোকে সব মৰ্ম্মাহত, শিষ্য সনে ক্ষুম্ন-মনে কঁদে উভরোল । বণিক্‌ বাণিজ্য ছাড়ি, শ্মশান করেছে বাড়ী, অধ্যাপকগণ ধায় শৃঙ্গ করি টোল । জাতি বর্ণ নাহি ভেদ, সবাই করিছে খেদ, ঈশ্বর বিহনে গেছে ধৰ্ম্মদ্বেষ ঘুচে। অস্তঃপুরে কুলবালা, ধরাসনে অঙ্গ ঢাল, অবিরল অশ্রঞ্জল অর্ণচলেতে মুছে ॥ অর্ণধার করিয়ে ঘর, কোথা গেলে সাধুবর, তাপিত সস্তানে ফেলি কোথায় চলিলে । লক্ষ লক্ষ লক্ষ জন লক্ষেতে হয়ে পূরণ, তব শোকে বঙ্গ আজি ভাষায় সলিলে ৷ ধৃ ধূ ধৃ ধূ জলে চিতা, মরেছে আমার পিতা, কঁদিয়ে কাদিয়ে দেবি হইনু কাতর, হা বিদ্যাসাগর অহা হা বিদ্যাসাগর ! সরস্বতী। আস্থা, নাহিক ঈশ্বর ? বঙ্গভাষা। বিস্তার সাগর মা গো দয়ার সাগর । সরস্বতী ! আহা, বড়ই আমারে সে যে পুঞ্জিত যতনে। বঙ্গভাষা। গ্রাসে বুঝি কাল তাই অমূল্য রতনে । সরস্বতী । আহা, - তাই আজি কেঁদে কেঁদে উঠেছিল প্রাণ তাই আজি বসুমতী হলে শূন্ত জ্ঞান ৷ (গীত) তাই বুঝি আজি বীণা বাজে না বাজে না । এত ভূষ। তবু উষা সাঞ্জে না সাজে না । কুসুমে নাহিক হাস, বাতাসেতে হা হুতাশ, এাস পেয়ে অলি বুঝি গাজে ন গাজে না। বঙ্গের হৃদয়-মাঝে, শত তপ্ত শেল বাজে, আহা বিদ্যাসাগর আজ রাজে না রাজে না ৷ বঙ্গভাষা। কোথায় আমার স্থান বল মা ক্ষুধাই, ৰঙ্গ বিন বঙ্গ এাষা যাবে কার . ঠাই৷