পাতা:অমৃত গ্রন্থাবলী প্রথম ভাগ.pdf/২৮৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


રન્ટ পাশ্বস্থ কুটীরে কঠোর শষ্যায় মৃদুহান্ত-মিশ্রিত কঙ্কণ-ঝঞ্চন শুনিতে শুনিতে জাগিয়া যামিনীযাপন করিল! কি দৃষ্টাস্ত দেখিয়া, কি উপদেশ পাইয়া, কি সঙ্গ গুণে, সে বয়ঃস্বভাবসুলভ মনোবৃত্তি দেহের আসক্তি নিবৃত্ত कतिट्द ? ऎश्वट्झछे नाहे, जांधूनत्र माझे, কাজেই আপনাকে সৰ্ব্বমুখে বঞ্চিত উংপীড়িত জ্ঞানে চক্ষু হ’তে অশ্রুঞ্জল প্রবাহিত করিতে লাগিল ; বিদ্যাসাগরের হৃদয়ে সেই অশ্রীকণা মিশ্রিত হইয়া দয়ার সাগরে করুণার তরঙ্গ উথলিত করিল । তিনি যে ব্ৰত অবলম্বন করিয়৷ কাৰ্য্যক্ষেত্রে প্রবিষ্ট হইয়াছিলেন, সে ব্রতের সমক্ষে সকল আপত্তি তিরোহিত হইত ; সেই মহাব্ৰত—দয়া,— দীন তার অনুষ্ঠান। বিদ্যাসাগরের প্রতি কার্ষ্যে দেখিবে, দান বই আর কিছু নাই, যে দয়াত্রতে ব্ৰতী হইয়। তিনি ভাষাকে জীবনদান, সাহিত্যকে সৌন্দর্য্যদান, অজ্ঞানকে জ্ঞানদান, শোকাতুরকে প্রবোধদান, ভয়ওঁকে অভয়দান, নিরাশ্রয়কে আশ্রয়দান, ক্ষুধাতুরকে অন্নদান করিয়াছিলেন, সেই দয়াত্রতের অনুষ্ঠানেই পতিসঙ্গ-জান-রহিত কুমারী বিধবার কাতরতাতে কাত্তর হইয়। তাহাদিগকে পতিদানে উদ্যোগী হইয়াছিলেন। দয়া জাগিয়া উঠিলে বিদ্যাসাগরের হৃদয়ে অন্ত কোন বৃত্তি তর্ক জ্ঞান স্থান পাইত না, স্বদেশবৎসল বীর মাতৃভূমি-রক্ষার্থ যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবিষ্ট হইলে যেমন তাহার হৃদয়ে নরহত্য-পাপের কথা উদয় হয় না, অষ্ঠের কথা দূরে থাক, আভ্যন্তরিক কলহ বশতঃ শোণিতাপ্পত আৰ্য্যাবৰ্ত্তে ধৰ্ম্মরাজ্য-সংস্থাপনার্থ শাস্তিদান-কামনায়, দীন দুৰ্ব্বলকে রক্ষা করিতে যখন ভগবান নারায়ণ দীননাথ কৃষ্ণরূপে অবতীর্ণ হন, তখন কুরুক্ষেত্রে বা যদুবংশধ্বংসকালে, হত্যা মিথ্যা জাতিনাশ অমৃত-গ্রন্থাবলী। আদি পাপ বলিয়া গ্রহ না করিয়া কেবল लौ८मब्र भश्ांग्र श्ड़ेब्र] **ौननांथ” नांभ किनिद्रा গিয়াছেন, সেইরূপ বিদ্যাসাগরও সমাজবন্ধন, লৌকিক নিয়ম, প্রতিপক্ষের তাড়ন তুচ্ছ জ্ঞান করিয়া একমাত্র কৌমার-বিধবার কাতরতায় আকুল হইয়। “দয়ার সাগর" নাম রাখিয়া গিয়াছেন । ৩য় নাগ। বটে বটে ঠিক ; বিদ্যাসাগর ষে দয়াবান ছিলেন, এ কথা কে অস্বীকার করবে ? কিন্তু বিধবা-বিবাইট। হিন্দুর প্রাণে কেমন কেমন লাগে, তাই লোকে বলাবলি করে । ৪র্থ নাগ । হিন্দু কই ? হিদুয়ানী কে রাখে ? এমন সংসার যদি থাকে, যেখানে সনাতন ধৰ্ম্ম অক্ষুন্ন ভাবে প্রতিপালিত হয়, যেখানে কওঁ। গৃহিণীকে বিলাসের সামগ্ৰী না করিয়া সহধৰ্ম্মিণী ভবেন, পত্নী পতিকে শয্যাগুরু না ভাবিয়া ধৰ্ম্ম গুরু জ্ঞানে, “পত্তিব্ৰহ্মা পতিবিদ্যু: পতিরেব মহেশ্বরঃ” বলিয়া পূজা করেন, বিধবার প্রতি গৃহস্থ সকলে সমবেদন জানাষ্টয় সাত্বন-বাক্যে ও সদৃষ্টান্তে ব্রহ্মচর্যা শিক্ষা দেন, দেবপূজাদিতে রত রাখিয়া পুগণপাঠাদি শ্রবণ করাইয়া আত্মসংযমে প্রবৃত্তি দেন, সেখানে বিধবার বদনে প্রশান্ত বিষাদ দেখিতে পাইবে, কিন্তু দৈহিক লালসায় নব-পতি অভিলাষ নয়নে লক্ষিত হইবে না। আর বিদ্যাসাগর হিন্দুশাস্ত্ৰ-সাগর মন্থন করিয়াই বিধবা-বিবাহের ব্যবস্থা স্থির করিয়াছিলেন ; যে শাস্ত্রক রের মত তিনি অবলম্বন করিয়াছিলেন, তাছা সৰ্ব্ববাদিসম্মত নহে ; সংস্কৃত ব্যাকরণের স্থিতিস্থাপকতা-গুণে ও ব্যাখ্যাকারিগণের পাণ্ডিত্যপ্ৰভায় তাহার উদ্ধৃত শ্লোকচয়ের বিপরীতাৰ্থও করা যায় সত্য, খি জ্ব,এ কথা বোধ হয় যে, তাহার শত্রুরাও বলিবে না যে,