পাতা:অশনি সংকেত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৪২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Gy অশনি-সংকেত - কোথায় পাবো, নেই ; এক টাকার চাল, বেশি নয়। এই লোকটাকে উপোস করে থাকতে হবে। দিতেই হবে আপনাকে । কুন্ডু মশায় সরে নিচু করে বললে-সন্ধের পর আমার বাড়ীতে যেতে বলবেন, খাবার চাল থেকে এক টাকার চাল দিয়ে দেবো এখন । গৃঙ্গাচরণ বললে—ধান চাল কোথায় গেল? আপনার এত বড় দোকানের মাচা একদম ফাঁকা কেন ? --কি করবো বাপ, সেদিন পাঁচু কুন্ডুর দোকান লািঠ হবার পর কি করে সাহস করে মাল রাখি এখানে বলনে ! সবারই সে দশা। তার ওপর শানচি পলিসে নিয়ে যাবে চাল কম দামে মিলিটারির জন্যে । —-কে বললে ? —বলচে সবাই । গজব উঠেচে বাজারে। আপনার কাছে মিথ্যে বলবো না, চাল আমি বাড়ী নিয়ে গিয়ে রেখে দিইচি । কিন্তু লোকের কাছে কবল যাবো না, আপনাকে তাই বললাম, অন্যকে কি বলি ? --অমরা না খেয়ে মরবো ? —যদিন থাকবে, দেবো। তবে আমার জামাই গররগাড়ী করে বন্দিবাটির হাটে কিছ: চাল নিয়ে যেতে চাইচে । তাই ভাবচি । -পাঠাবেন না, লািঠ হবে পথে। ব্যুঝে কাজ করন, কিছ, চাল দেশে থাকুক, নইলে দভিক্ষ হবে যে। কি খেয়ে বাঁচবে মানষে ? —বঝি সব, কিন্তু আমি একা রাখলি তো হবে না। খাঁ বাবরা এত বড় আড়তদার, সব ধান বেচে দিয়েচে গবৰ্ণমেণ্টের কনট্রাকাটারদের কাছে। এক দানা ধান রাখে নি । এই রকম অনেকেই করেচে। খবর নিয়ে দেখােন । আমি তো চুনোপটি দোকানদার, পঞ্চাশ-ষািট अ० भाद्धा आभाद्र दिCमा । গঙ্গাচরণ সম্পধ্যার অন্ধকারে চিন্তান্বিত মনে বাড়ীর পথে চললো । নবীন পাড়ই সঙ্গেই ছিল, তাকে যেতে হবে দোমোহানী, নতুন গাঁয়ের পাশেই । বললে -পণ্ডিত মশাই ছেলেন। তাই আজ বাচকাচের মাখে দটাে দানা পড়বে। মোদের কথা ওসব বড় দোকানদার কি শোনে ! মোরা হলাম টিকরি মানষ । কাল দ’টো মাছ পেটিয়ে দেবো। উতমানে । গঙ্গাচরণ বাড়ী নেই, পাঠশালায় গিয়েচে পড়াতে । হাব ও পািটল বাপের সঙ্গে পাঠশালায় ! এক অনঙ্গ-বেী রয়েছে বাড়ীতে । কে এসে ডাক দিলে-ও পশিডত মশাইবাড়ীতে আছ গা অনঙ্গ-বেী কারো সামনে বড় একটা বার হয় না। বদ্ধ ব্যক্তি ডাকাডাকি করচে দেখে দোরের কাছে এসে মদম্বরে বললে-উনি বাড়ী নেই। পাঠশালায় গিয়েচোন— -क ? भा-लझी है অনঙ্গ সলজে ভাবে চুপ করে রইল । বন্ধটি দাওয়ায় উঠে বসে বললে-আমায় একটু খাবার জল দিতি পারবা মা-লক্ষনী ?