পাতা:অশনি সংকেত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৪৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অশনি-সংকেত tS অনঙ্গ তাড়াতাড়ি ঘরের মর্যে ঢুকে এক ঘটি জল নিয়ে এসে রাখলে। তারপর বাড়ীর গামছাখানা বেশ করে ধীয়ে ঘটির ওপর রেখে দিলে। একটু আখের গড় ও এক গ্লাস জলিও ror isତି ! বললে-দীকোষ। কাঁটাল দেবো ? --थाञ्जा •ा द्वाना ? --আধখাজা । এখন শ্রাবণ মাসে রসা কাঁটাল বড় একটা থাকে না । --দাও, নিয়ে এসো-মা, একটা কথা--কি বলান ? -আমি এখানে দটাে খাবো। আমি ব্রাহ্মণ। আমার নাম দীনবন্ধ ভট্টাচায । বাড়ী কামদেবপরের সন্নিকট বাগান-গাঁ । অনঙ্গ-বোঁ বললে-খবেন বই কি। বেশ, একটু জিরিয়ে নিন। ঠাঁই করে দিএকটু পরে দীন ভটচাজ মোটা আউশ চালের রাঙা রাঙা ভাত, ঢে’ড়াসভাজা, বেগান ও [াকের ডাটােচচ্চড়ি দিয়ে অত্যন্ত তৃপ্তির সঙ্গে খাচ্ছিল। অনঙ্গ-বেী বিনীতভাবে সামনে ড়িয়ে আছে। দীন খেতে খেতে দীঘনিঃস্বাস ফেলে যেন একটু দম নিলে। তার পর বললো-মা-লক্ষীর ন্নিা যেন অমতো। চচ্চড়ি আর একটু দাও তো ? ? অনঙ্গ লজ্জা কুণ্ঠিত সঘরে বললে---আর তো নেই! ঢে"ড়সভাজা দখানা দেবো ? --उाई 3 भा । এত বন্ধ লোক যে এতগলো ভাত এক নিঃস্বাসে খেয়ে ফেলতে পারে, অনঙ্গ-বেী নিজের চাখে না দেখলে তা বিশ্ববাস করতো না । বললে---আর ভাত দেবো ? -ऊा नgको मा९3 भा । —মশকিল হয়েচে, খাবেন কি দিয়ে ! তরকারি বাড়ন্ত । -তে তুলি এক গাঁট দিতি পারবা ? -অজ্ঞে হ্যাঁ । —আমরা হােলাম গিয়ে গরীব মানষে। সব দিন কি মাছ-তরকারী জোটে ? কোনো দন হােল না, তেতুল এক গাঁট দিয়ে এক পােতর ভাত মেরে দেলাম অনঙ্গের ভাল লাগছিল। এই পিতার বয়সী সরল ব্যুদ্ধের কথাবাতা। ইনি বোধ হয় খাব Fধাত ছিলেন । বলতে নেই, কি রকম গোগ্রাসে ভাত কটা খেয়ে ফেললেন। আরও থাকলে আরও খেতে পারতেন বোধ হয়। কিন্তু বজ্জভ দঃখের বিষয়, ভাত-তরকারি। আর ছিল না । খাওয়া-দাওয়ার পর অনঙ্গ বললে-তামাক সোজে দেবো ? --তোমাকে দিয়ে তোমাক সাজাবো মা-লক্ষী ? না-না-কোথায় তামাক বলে । আমি নিজে বলে তামাক সাজতি সাজতি৷ বড়ো হয়ে গেলাম। উনসত্তর বছর বয়েস হোল । --উনসত্তর ? -হ্যাঁ । এই আশিবন মাসে সত্তর পোরবে । তোমরা তো আমার নাতনীর বয়সী। দীন ভট্যচায হা-হ্যা করে হেসে উঠলো কথার শেষে । অনঙ্গ-বেী নিজেই তামাক সেজে কলোিকয় ফ্য দিতে দিতে এল, ওর গাল দটি ফুলে উঠেচে, মাগনের আভায় রাঙা হয়ে উঠেচে ।