পাতা:অশনি সংকেত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৪৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অশনি-সংকেত 3 --লোকে কি বলবে বল তো ? --বেলােক গে। আমার সংসারে যদি দ'কাঠা চালের সাশ্রয় হয় তবে লোকের কথাতে কি, মাসে যাচে ? --তুমি যা ভাল বোঝো কর, কিন্তু আমার মনে হচ্চে তোমার শরীর টিকবে না। -to Colo o 3 R তারপর অনঙ্গ-বোঁ হঠাৎ খিলখিল করে হেসে উঠে ঘাড় দলিয়ে দলিয়ে বললে-তোমায় কিয়েচি গো তোমায় ঠকিয়েচি । গঙ্গাচরণ বিস্ময়ের সরে বললে-কি ঠকিয়েচ ? -ঠকিয়েচি মানে চোখে ধলো দিইচি । --কেন ? —কত দিন আগে থেকে আমি ধান ভানচি । -मर्गद्धा ? --সত্যি গো সত্যি। নইলে চালের হিসেব নিয়ে দেখো। দ’ কাঠা চাল তো হাট থেকে কিনেছিলে। কত দিন খেলে মনে নেই ? -আমায় না জানিয়ে কেন অমন কারচো তুমি ? ছিঃ ছিঃ-কাদের ধান ভানো ? -হরি কােপালীদের । শ্যাম বিশেবাসীদের । -ক’কাঠা চালের জন্যে কেন কষ্ট করা ? ওতে মান থাকে না । ব্ৰাহ্মণের মেয়ে হয়ে কােপালীদের ধান ভানা ? লোকে জানলে কি বলবে বল তো ? এত ছোট নজর তোমার হােল কেমন করে তাই ভাবচি । --বেশ, লোকে আমায় বলে বলবে, আমার ছেলেপলে তো দ’ মাঠো পেট ভরে খেতে পাবে। তা ছাড়া কােপালীদের দই বোঁ ধান এলে দেয়। আমি শােধ ঢ়ে"কিতে পােড় দিই। —তুমি ধান এলে দিতে পারো ? এলে দেওয়া বািড় শক্ত না ? -এলে দেওয়া শিখতে হয় । তাড়াতাড়ি গড় থেকে যে হাত উঠিয়ে নিতে পারে সে ভাল এলে দিতে পারে। এলে দেওয়ানো শিখচি একটু একটু। গঙ্গাচরণ সন্ত্রীর কথায় ভাবনায় পড়ে গেল। তার স্ত্রী ষে তাকে লকিয়ে এ কাজ করচে তা সে জানতো না । মাঝে মাঝে সে ভেবেচে অবিশ্যি, মাত্র দ’ কাঠা এক কাঠা চালে তার এক হাট থেকে আর এক হাট পর্যন্ত চলচে কি করে ? এতদিন লকিয়ে লকিয়ে অনঙ্গ-বেী চালাচে তা তো সে জানতো না ! আহা, বেচারী ! যদি ধান এলে দিতে গিয়ে কোনদিন ওর আঙিলে ঢেকি পড়ে যায় ? গঙ্গাচরণ পাঠশালায় বেরিয়ে গেলে হরি কােপালীর ছোট বৌ এসে ছে'চতলায় দাঁড়িয়ে চুপি চুপি বললে-উনি চলে গিয়েচেন ? -হ্যাঁ, দিদি । যাই -চলো বামন-বো, ওরা সব বসে আছে তোমার জন্য। -কত ধান অজিকে ? -*र्थ्रो5 आफु उिन काठेा । 5ि'6छ आCछ उिन काठेा । -আমাকে ধান এলে দেওয়া শিখিয়ে দিবি দিদি ?